ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে স্পেনের ইতিহাস মহিলা বিশ্বকাপে - BBP NEWS

Breaking

রবিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৩

ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে স্পেনের ইতিহাস মহিলা বিশ্বকাপে

 


বিবিপি নিউজ: ফিফা মহিলা ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডকে কাঁদিয়ে চ্যাম্পিয়ন ট্রফি ঘরে তুলেছে স্পেনের মেয়েরা। এই ম্যাচে ইংলিশদের ১-০ ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো শিরোপা জিতল জর্জ ভিল্ডার শিষ্যরা।


রবিবার স্টেডিয়াম অস্ট্রেলিয়াতে শিরোপার মঞ্চে স্পেনের বিপক্ষে মাঠে নামে ইংল্যান্ড। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের ম্যাচটিতে এক গোলের ব্যবধানে শিরোপা নিশ্চিত করেছে স্পেনের মেয়েরা।


ম্যাচজুড়েই বল দখলে আধিপত্য দেখিয়েছে স্পেনের মেয়েরা। ৫৮ শতাংশ বল দখলে রেখে ১৩ শটের ৫টি লক্ষ্যে রাখে স্প্যানিশরা। বিপরীতে ৪২ শতাংশ বল পায়ে রেখে ৮টি শট নিয়ে তিনটি লক্ষ্যে রাখেন সারিনা ওয়েগম্যানের শিষ্যরা।


এদিন ম্যাচের শুরু থেকেই পাল্টাপাল্টি আক্রমণে জমে ওঠে দু’দলের লড়াই। তবে ১৫ মিনিটেই এগিয়ে যেত পারত ইংল্যান্ডের মেয়েরা। কিন্তু লরেন হেম্পের বাঁ পায়ের শটটি ক্রসবারে লেগে ফিরে আসে।এরপর দারুণ সুযোগ তৈরী করে স্প্যানিশ মেয়েরাও। কিন্তু ইংলিশ গোলরক্ষক মেরি অর্পসের চোখ ফাঁকি দিতে পারেনি তারা।


নিজেদের দ্বিতীয় সুযোগটি হাতছাড়া করেনি স্প্যানিশরা। ম্যাচের ২৮তম মিনিটে ক্যালডেন্টের ডিফেন্স চেরা পাস থেকে কোনাকুনি শটে জাল খুঁজে নেন স্পেন অধিনায়ক ওলগা কারমানা।


এরপর ম্যাচে ফিরতে মরিয়া ইংল্যান্ডের মেয়েরাও পাল্টা আক্রমণ চালায়। কিন্তু কয়েকবার প্রতিপক্ষ শিবিরে আক্রমণ করেও খুব বেশি সুবিধা করতে পারেনি। উল্টো প্রথমার্ধে যোগ করা সময়ে দ্বিতীয় গোল হজম করতে বসেছিল ইংলিশরা। তবে পারাল্লুয়েলো আয়িনগোনোর ডান পায়ের বাঁকানো শটটি ক্রসবারে লেগে মাঠের বাইরে চলে যায়। ফলে সে যাত্রায় বেঁচে যান কেলি-মর্গানরা।


বিরতি থেকে ফিরে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে ইংল্যান্ড। কিন্তু সুযোগ তৈরী করলেও স্পেনের ডেডলক ভাঙতে পারেনি ইংলিশরা। উল্টো ম্যাচে র ৬৬তম মিনিটে নিজেদের ডি বক্সের ভেতরে হ্যান্ড করে বসে ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার। পরে ভার্চুয়াল অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারির সাহায্য নিয়ে পেনাল্টির বাশি বাঁজান টরি পেনসো।


স্পটকিক থেকে ইংল্যান্ডের জাল ছুঁতে ব্যর্থ হন স্প্যানিশ স্ট্রাইকার জেনিফার হার্মোসো। তার নেয়া শটটি বাঁ দিকে ঝাপিয়ে বলটি সেভ করেন মেরি অর্পস। শেষ পর্যন্ত আর কোনো গোল না হওয়ায় ১-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্প্যানিশ মেয়েরা।


Pages