বিবিপি নিউজ: লকডাউন উপেক্ষা করে ফুটবল খেলতে মেতেছে ভিনরাজ্য ফেরত বেশ কয়েকজন যুবক। এই খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পৌঁছে বাধা দিতেই পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি শুরু করে। এরপরেই চলে পুলিশকে মারধর, ভাঙচুর করা হয় পুলিশের গাড়িও। এই ঘটনায় পুলিশ তিনজনকে গ্রেপ্তার করে।
ঘটনাটি ঘটেছে, নন্দীগ্রামের জৈনপুরে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নন্দীগ্রামের জৈনপুরের খেলার মাঠে বৃহস্পতিবার সকাল 11টা থেকে ফুটবল খেলায় মেতে ওঠে এলাকার বেশ কিছু যুবক। তাদের মধ্যে অধিকাংশ যুবকই ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করতেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা নিজর বাড়িতে ফিরে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শে তাদের 14 দিন হোম কোয়ারেনটাইনে থাকার নির্দেশদেন। কিন্তু সেই বিধি-নিষেধকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েই বাড়ি ফেরার পর,আনন্দে ফুটবল খেলায় মেতে ওঠে।
ওই ভিনরাজ্য ফেরত যুবকদের সঙ্গে খেলায় অংশগ্রহণ করে এলাকার বেশ কিছু যুবক। এরপরেই স্থানীয় বাসিন্দারা করোনা সংক্রমণের আতঙ্কে পুলিশের কাছে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে রেয়াপাড়া ফাঁড়ির কর্তব্যরত এসআই সাগর বেরা ও তিন কনস্টেবলকে নিয়ে গ্রামে পৌছে খেলা বন্ধ করার অনুরোধ জানান। কিন্তু পুলিশের কথা তোয়াক্কা না করেই খেলায় মেতে যায়। এরপরে ঘটনাস্থলে আরও পুলিশ গিয়ে মাঠে খেলা বন্ধ করে দিলে যুবকরা উত্তপ্ত হয়ে চার পুলিশকর্মীকে ধাক্কাধাক্কি ও মারধর করে। ইট ও পাথর ছুড়ে মারতে থাকে পুলিশকর্মীদের। ভাঙচুর করা হয়ে পুলিশের ভ্যান। এরপরে নন্দীগ্রাম থানা থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থানে পৌঁছে আহত পুলিশকর্মীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
ঘটনাটি ঘটেছে, নন্দীগ্রামের জৈনপুরে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নন্দীগ্রামের জৈনপুরের খেলার মাঠে বৃহস্পতিবার সকাল 11টা থেকে ফুটবল খেলায় মেতে ওঠে এলাকার বেশ কিছু যুবক। তাদের মধ্যে অধিকাংশ যুবকই ভিন রাজ্যে শ্রমিকের কাজ করতেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা নিজর বাড়িতে ফিরে জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পরামর্শে তাদের 14 দিন হোম কোয়ারেনটাইনে থাকার নির্দেশদেন। কিন্তু সেই বিধি-নিষেধকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়েই বাড়ি ফেরার পর,আনন্দে ফুটবল খেলায় মেতে ওঠে।
ওই ভিনরাজ্য ফেরত যুবকদের সঙ্গে খেলায় অংশগ্রহণ করে এলাকার বেশ কিছু যুবক। এরপরেই স্থানীয় বাসিন্দারা করোনা সংক্রমণের আতঙ্কে পুলিশের কাছে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে রেয়াপাড়া ফাঁড়ির কর্তব্যরত এসআই সাগর বেরা ও তিন কনস্টেবলকে নিয়ে গ্রামে পৌছে খেলা বন্ধ করার অনুরোধ জানান। কিন্তু পুলিশের কথা তোয়াক্কা না করেই খেলায় মেতে যায়। এরপরে ঘটনাস্থলে আরও পুলিশ গিয়ে মাঠে খেলা বন্ধ করে দিলে যুবকরা উত্তপ্ত হয়ে চার পুলিশকর্মীকে ধাক্কাধাক্কি ও মারধর করে। ইট ও পাথর ছুড়ে মারতে থাকে পুলিশকর্মীদের। ভাঙচুর করা হয়ে পুলিশের ভ্যান। এরপরে নন্দীগ্রাম থানা থেকে বিশাল পুলিশবাহিনী ঘটনাস্থানে পৌঁছে আহত পুলিশকর্মীদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে।
