বিবিপি নিউজ,বারাসাত: অবশেষে সায় মিললো প্রশাসনের। কয়েকদিন আগে উত্তর ২৪ পরগনা জেলা সদর বারাসতের জেলাশাসক চৈতালি চক্রবর্তীর কাছে চিঠি লিখে স্বেচ্ছায় মৃত্যুর আবেদন জানান পিএইচডি ডিগ্রি নারী। ওই শিক্ষিতা সহ তার পরিবারের তিনজনের চিকিৎসার ব্যবস্থা করল বারাসত জেলা হাসপাতাল।
রবিবার বিকেলে বারাসতের মহকুমা শাসক তাপস বিশ্বাস ও জেলা হাসপাতালের সুপার ডাঃ সুব্রত মণ্ডল বারাসত নবপল্লী বাণীনিকেতন রোড সংলগ্ন একটি আবাসনের বাসিন্দা গার্গী ব্যানার্জি ও তাঁর মা গীতাদেবী ও বাবা কমলবাবুর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের ফ্ল্যাটেই এদিন ওই পরিবারের তিন সদস্যের শারীরিক পরীক্ষা–নিরীক্ষাও করেন।
এদিন ডাঃ সুব্রত মণ্ডল জানান প্রাথমিকভাবে তাঁদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন। প্রয়োজনীয় ওষুধও দিয়েছেন। বুধবার বারাসত হাসপাতালে তাঁদের যাবতীয় শারীরিক পরীক্ষা করা হবে বলেও জানান তিনি।
জেলা হাসপাতালের সুপার বাড়িতে এসে তাঁদের চিকিৎসা করায় খুশি গার্গী ব্যানার্জি ও তাঁর বাবা–মা। গার্গী জানান, যেভাবে প্রশাসন, সমাজসেবী মুকুল চ্যাটার্জি–সহ বহু মানুষ তাঁদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তাতে তিনি আপ্লুত।
উল্লেখ্য, শনিবার চাল, ডাল, আটা–সহ বিভিন্ন খাদ্যশস্য নিয়ে তাঁদের বাড়িতে যান দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা মুকুল চ্যাটার্জি। সারা বছর তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন। খাদ্য দপ্তরের জেলা কার্যালয় থেকে এক প্রতিনিধিদলও ওই পরিবারের সঙ্গে করে এদিন।
ছবি: আজকাল ডটকম
রবিবার বিকেলে বারাসতের মহকুমা শাসক তাপস বিশ্বাস ও জেলা হাসপাতালের সুপার ডাঃ সুব্রত মণ্ডল বারাসত নবপল্লী বাণীনিকেতন রোড সংলগ্ন একটি আবাসনের বাসিন্দা গার্গী ব্যানার্জি ও তাঁর মা গীতাদেবী ও বাবা কমলবাবুর সঙ্গে দেখা করেন। তাঁদের ফ্ল্যাটেই এদিন ওই পরিবারের তিন সদস্যের শারীরিক পরীক্ষা–নিরীক্ষাও করেন।
এদিন ডাঃ সুব্রত মণ্ডল জানান প্রাথমিকভাবে তাঁদের শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করেছেন। প্রয়োজনীয় ওষুধও দিয়েছেন। বুধবার বারাসত হাসপাতালে তাঁদের যাবতীয় শারীরিক পরীক্ষা করা হবে বলেও জানান তিনি।
জেলা হাসপাতালের সুপার বাড়িতে এসে তাঁদের চিকিৎসা করায় খুশি গার্গী ব্যানার্জি ও তাঁর বাবা–মা। গার্গী জানান, যেভাবে প্রশাসন, সমাজসেবী মুকুল চ্যাটার্জি–সহ বহু মানুষ তাঁদের পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন তাতে তিনি আপ্লুত।
উল্লেখ্য, শনিবার চাল, ডাল, আটা–সহ বিভিন্ন খাদ্যশস্য নিয়ে তাঁদের বাড়িতে যান দক্ষিণপাড়ার বাসিন্দা মুকুল চ্যাটার্জি। সারা বছর তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাসও দেন। খাদ্য দপ্তরের জেলা কার্যালয় থেকে এক প্রতিনিধিদলও ওই পরিবারের সঙ্গে করে এদিন।
ছবি: আজকাল ডটকম
