বিবিপি নিউজ নেটওয়ার্ক: দীর্ঘ দিন ধরে বাকিতে দুধ খেতেন এক আরপিএফ কর্মী। দুধওয়ালা টাকা চাওয়ায় নিজের সার্ভিস রিভালবার দিয়ে গুলি করে খুন করলো দুধওয়ালা ও তার পরিবারের দুই সদস্যকছ। ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের রামগড় জেলার বরকাকানা স্টেশনের কাছে। নিহতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য । মৃত দুধ ব্যাবসায়ীর নাম রাম। তাঁর কাছ থেকে বাকিতে দুধ কিনতেন আরপিএফ কর্মী পবন। কিন্তু দীর্ঘদিন টাকা না দেওয়ায় ওই রেল পুলিসের কাছে ১২০০ টাকা পেতেন রাম।
শনিবার রাতেও দুধ কিনতে যায় পবন। তখন বকেয়া টাকা না মেটালে দুধ দিতে অস্বীকার করেন রাম। এরপর তাঁর সঙ্গে ওই পুলিসকর্মীর বচসা শুরু হয়। আচমকাই নিজের সার্ভিস পিস্তল বের করে গুলি চালাতে শুরু করে ওই পুলিস কর্মী। তার গুলিতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। এদিকে ওই ঘটনায় অভিযুক্ত আরপিএফ কর্মী গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখান।
এদিন জেলার পুলিস সুপার প্রভাত কুমার বলেন, পবন কুমার নামে ওই আরপিএফের কর্মী রাতে অশোক রামের পরিবারের সদস্যদের উপর আচমকাই পিস্তল দিয়ে গুলি চালিয়ে দেয়। তার গুলিতে অশোক রাম (৫৫), তাঁর স্ত্রী লীলাবতী দেবী (৫২) ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা কন্যা মীনা দেবীর (২৭) মৃত্যু হয়। এছাড়াও দু’জন জখম হন। তাঁদের রাঁচির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটেছে ঝাড়খণ্ডের রামগড় জেলার বরকাকানা স্টেশনের কাছে। নিহতরা সবাই একই পরিবারের সদস্য । মৃত দুধ ব্যাবসায়ীর নাম রাম। তাঁর কাছ থেকে বাকিতে দুধ কিনতেন আরপিএফ কর্মী পবন। কিন্তু দীর্ঘদিন টাকা না দেওয়ায় ওই রেল পুলিসের কাছে ১২০০ টাকা পেতেন রাম।
শনিবার রাতেও দুধ কিনতে যায় পবন। তখন বকেয়া টাকা না মেটালে দুধ দিতে অস্বীকার করেন রাম। এরপর তাঁর সঙ্গে ওই পুলিসকর্মীর বচসা শুরু হয়। আচমকাই নিজের সার্ভিস পিস্তল বের করে গুলি চালাতে শুরু করে ওই পুলিস কর্মী। তার গুলিতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। এদিকে ওই ঘটনায় অভিযুক্ত আরপিএফ কর্মী গ্রেপ্তার না হওয়ায় স্থানীয়রা বিক্ষোভ দেখান।
এদিন জেলার পুলিস সুপার প্রভাত কুমার বলেন, পবন কুমার নামে ওই আরপিএফের কর্মী রাতে অশোক রামের পরিবারের সদস্যদের উপর আচমকাই পিস্তল দিয়ে গুলি চালিয়ে দেয়। তার গুলিতে অশোক রাম (৫৫), তাঁর স্ত্রী লীলাবতী দেবী (৫২) ও তাঁর অন্তঃসত্ত্বা কন্যা মীনা দেবীর (২৭) মৃত্যু হয়। এছাড়াও দু’জন জখম হন। তাঁদের রাঁচির একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
