Corona: মরন ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে খবর পৌছাতে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি সাংবাদিকরা! - BBP NEWS

Breaking

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২০

Corona: মরন ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবে খবর পৌছাতে চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি সাংবাদিকরা!

বিবিপি নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদন: ক্রমবর্ধমান স্বাস্থ্য সঙ্কট সম্পর্কে দায়বদ্ধতার সাথে খবর করার চেষ্টা করা সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা আতঙ্ক উস্কে না দিয়ে এর গুরুত্বতা তুলে ধরতে বদ্ধ পরিকর। তথ্যের ঝলক রেখেই অনেক রহস্য রয়ে গেছে এবং নিয়মিত পাঠক ও দর্শকদের কীভাবে সুরক্ষিত থাকতে হয় সে সম্পর্কেও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সংবাদ মাধ্যম হচ্ছে " 24 ঘন্টা, সপ্তাহে সাত-দিন, একমাস অথবা এক বছরের জন্য নয়, এটি বিশ্বের প্রতি মুহুর্তের গল্প"। এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতে নিজেদের জীবন বাজি রেখে ঘরবন্দী মানুষের কাছে বার্তা পৌঁছে দিতে দায়বদ্ধ।

করোনা ভাইরাসের থাবায় লক্ষ লক্ষ মানুষ অসুস্থ হয়ে পড়েছে। মৃত্যু হয়েছে হাজার হাজার মানুষের। বিশ্ব জুড়ে কয়েক মিলিয়ন লোককে বিচ্ছিন্ন করেছে। একপর্যায়ে গোটা বিশ্বের অধিকাংশ নাগরিকে‌ ঘরবন্দী ‌করে রেখেছে। তবে কভারেজের দায়িত্বে থাকা সাংবাদিকরা বলছেন যে তারা তাদের কাজ এমন পরিস্থিতিতেও অটল। সংবাদমাধ্যমের কাজ শুধু খবর পরিবেশন করাই নয়,মানুষের স্বাস্থ্য,পড়শোনা, খেলাধুলা ও শরীরচর্চা আরও  অনেক কিছুই সম্প্রচার করা। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এপি-র স্বাস্থ্য ও বিজ্ঞান সম্পাদক জোন ফাহে বলেন, "আমরা প্রচুর ব্যাখ্যক, তাঁর কাছে জানাতে চাওয়া হয় যে এই মরন রোগে প্রশাসন ঘরবন্দী ‌করছে মানুষকে তখন সংবাদ মাধ্যমের কর্মীরা অর্থাৎ সাংবাদিক, চিত্র সাংবাদিকরা কিভাবে‌ লড়াই‌‌ করছেন?

 " তিনি বলেন, প্রশাসন যখন বিশ্বজুড়ে ঘরবন্ধী করেছে, তখন মানুষের মধ্যে ভয় একটি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া। কারন সাংবাদিকরাও তো মানুষ তাদের ও পরিবার আছে,তার তো আর কৃত্রিম যন্ত্র নয়।‌ কিন্তু ঘরবন্দী অবস্থায় থাকলে এটি সত্য যে, মানুষের জন্য পৃথক ঝুঁকি খুব কম। কারন ঘরবন্দী অবস্থায় থাকলে ভাইরাস সংক্রমণ করতে পারবে না। তবুও তাদের মধ্যে ভয় কাজ করলেও তাঁরা ভয়কে জয় করে ক্যামেরা হাতে নিয়ে ছুটেছে। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসাক্ষেত্র, ডাক্তার, নার্স, মেডিক্যাল রিপেজেন্টেটিভ, স্বাস্থ্ কর্মী থেকে পুলিশ প্রশাসন দায়বদ্ধতার সঙ্গে কাজ করে চললেও সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের কাছে এটি একটি চ্যালেঞ্জের বিষয়।

 কারন হিসেবে তিনি আরও বলেন, এখনও সংবাদমাধ্যমের বিষয়টি টিভি, পেপার,‌ ম্যাগাজিন, ওয়েবসাইট-এর মধ্য সীমাবদ্ধ নয়। আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে সঙ্গে আমার এগিয়ে চলেছি। কিন্তু সবকিছু সঠিক হলেও যেখানে এখন পেপার,টিভি, ওয়েবসাইট- এর সাংবাদিকেরা সরকারি আওতায়ভুক্ত থাকলেও অনেক ক্ষেত্রে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ওয়েবসাইট অথবা ম্যাগাজিন সহ ছোটো ছোটো সংবাদ মাধ্যমের কর্মীদের কোনো স্বীকৃতি দেওয়া হয়নি, কিন্তু তারও তাদের কর্তব্যে অবিচল। এক্ষেত্রে তাদের ‌নিরাপত্তা নিয়ে চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই এমন মহামারি পরিস্থিতিতে‌ খবর সম্প্রচার  করতে খুব কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে এই সব সংবাদ মাধ্যমের খবর অনেক গুরুত্ব বহন করে, ফলস্বরূপ সংবাদ মাধ্যম ছোটো অথবা বড় সেটা কোনও মাধূর্য নয়। সংবাদ মাধ্যম মানেই‌‌ খবর পরিবেশন করা ও দেশ তথা বিশ্বের ভারসাম্য রক্ষা কর। জোন আরও বলেন গোটা বিশ্বে‌ মহামারির পরিস্থিতিতে‌ সাংবাদিকরা এসময়ে মানুষের সংস্পর্শে খুব কম এসেছে যার ফলে এমন পরিস্থিতিতে চ্যালেঞ্চ থাকলেও তারা বিশ্ববাসীর কাছে সঠিক তথ্য তুলে ধরতে জীবনের ঝুকি নিয়ে নেমে পড়েছেন।

Pages