বিবিপি নিউজ: জুন মাসে বিশ্বের শীর্ষ দশ ধনীর তালিকায় নাম লিখিয়েছেন রিলায়েন্সের কর্ণধর ধনকুবের মুকেশ আম্বানি। এরপর ব্যবসায়ের অংশীদারত্ব বিক্রিসহ বেশ কিছু বিনিয়োগ আসার পর এখন এই তালিকায় আম্বানির অবস্থান চতুর্থ। এতে তিনি ইউরোপের শীর্ষ ধনী ফ্রান্সের লুই ভুটনের প্রধান নির্বাহী বার্নার্ড আরনল্ট পেছনে ফেলেছেন।
ব্লুমবার্গ বিলিয়নিয়ার ইনডেক্সের সবশেষ তথ্য অনুযায়ী, এ বছর ২২ বিলিয়ন ডলার তহবিল সংগ্রহের পর এখন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটিডের চেয়ারম্যান মুকেশ আম্বানির মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৮০ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার। জুনে যখন তিনি শীর্ষ দশে নাম লেখান তখন তার মোট সম্পত্তি ছিল ৬৬ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। গত ২০ জুন এশিয়ার প্রথম শিল্পপতি হিসেবে বিশ্বের ১০ জন ধনীর তালিকায় জায়গা করে নিয়েছিলেন। এর ২০ দিনের মাথায় ১০ জুলাই বিশ্বের সপ্তম ধনী ব্যক্তি হয়ে ওঠেন তিনি। তার মাত্র ১২ দিনের মধ্যে তালিকায় আরও দুই ধাপ ওপরে উঠে আসেন রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক আম্বানি।
আম্বানির চেয়ে বেশি সম্পদের মালিক এখন তিন জন। তারা ১০০ বিলিয়ন বা ১০ হাজার কোটি ডলারের বেশি মূল্যের সম্পত্তির মালিক। যাদেরকে বলা হয় সেন্টিবিলিয়নিয়ার। এই সপ্তাহে ফেসবুকের প্রধান মার্ক জাকারবার্গ এই তালিকায় নাম লেখান। বাকি দুজন হলেন অ্যামাজনের জেফ বোজোস ও মাইক্রোসফটের বিল গেটস। শীর্ষ ধনীর তালিকায় চতুর্থ স্থানে থাকা আম্বানি এখন ৮ হাজার ৬০ কোটি ডলারের মালিক। জুলাইয়ে পঞ্চম স্থানে আসার সময় তা ছিল ৭ হাজার ৫১০ কোটি ডলার। শীর্ষে থাকা বেজোস ১৮ হাজার ৭০০, দ্বিতীয় স্থানে গেটস ১২ হাজার ১০০ এবং তৃতীয় স্থানে থাকা জাকারবার্গের সম্পত্তির মূল্য ১০ হাজার ২০০ কোটি ডলার। করোনার সংক্রমণের আবহে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি যেখানে টালমাটাল, এর মধ্যেও পর পর বিপুল বিনিয়োগ এসেছে মুকেশের সংস্থায়। রিলায়েন্সের জিও প্ল্যাটফর্মে গুগল, ফেসবুক, ইনটেল, সিলভার লেক, ভিস্তা, কেকেআরের মতো সংস্থা বিনিয়োগ করেছে।
