বিবিপি নিউজ: ত্রিপুরার পুরভোট প্রচারে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর ধারাবাহিক হামলায় গর্জে উঠলেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃনমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার তৃণমূল যুব নেত্রী সায়নী ঘোষকে গ্রেফতারের ঘটনা নিয়ে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।দলের যুবনেত্রীর গ্রেফতারি প্রসঙ্গে তৃণমূল নেত্রী বলেন, ''সায়নীর সঙ্গে কথা হয়েছে আমার। আমাদের এখানে তো ওদের অনেক নেতা এসেছে। আমরা তো বাধা দিইনি। এখানে কত কিছু ব্যাবহার করা হয়েছিল। এবার ত্রিপুরা ইস্যু নিয়েও আমি কথা বলব। কেন্দ্র ক্ষমতা দখল করতে চাইছে। কিন্তু আমি তা হতে দেব না।''
ইতিমধ্যেই ত্রিপুরায় পৌঁছেছেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরদিকে, এদিন বিকেলেই দিল্লি যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এদিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহের মন্ত্রক, নর্থ ব্লকে বিক্ষোভ দেখাচ্ছে তৃণমূল। আর সেই বিক্ষোভ যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই মস্তিষ্কপ্রসূত, তাও স্পষ্ট হয়ে গেল এদিন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন বলেন, ''ত্রিপুরাতে যা হচ্ছে, সবাই দেখছে। ত্রিপুরাতে গণতন্ত্র নেই। এখন কোথায় গেল হিউম্যান রাইটস কমিশন? ত্রিপুরা নিয়ে তো সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে। তা সত্ত্বেও সেই নির্দেশ মানা হচ্ছে না। আমাদের সাংসদরা গতকাল থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সময় চাইছেন। কিন্তু সময় দেওয়া হয়নি।'' এরপরই মুখ্যমন্ত্রী সংযোজন করে বলেন, ''আমি বারণ করেছিলাম ওঁর (অমিত শাহ) বাড়ির সামনে অবস্থান করতে। হোম মিনিস্টার বিজেপি-র। তবুও তিনি তো একটা চেয়ারে আছেন।''এরপরই নিজের দিল্লি সফর নিয়ে বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ''আমি বিএসএফ-এর ইস্যু নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি। গায়ের জোরে কিছু দখল করতে দেব না। আমি বারণ করেছিলাম। বিএসএফ-কে আমি সন্মান করি। আগামীকাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করব। বিএসএফ ও অন্যান্য ইস্যু নিয়ে আলোচনা করব।''