বিবিপি নিউজ,সন্দীপ সরকার,কলকাতা: ডাক্তারের পর এবার হেনস্তার শিকার শিক্ষকেরা। কিন্তু কোনো বহিরাগত নয়, খোদ বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ছাত্রদের হাতে! সোমবার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোলের ভারপ্রাপ্ত বিভাগীয় প্রধান সরস্বতী কেরকেটার হেনস্থার খবর প্রকাশ্যে আসায় হইচই পরে যায় শিক্ষা মহলে। এর আগেও এরকমের অভিযোগ জমা পরে কর্তৃপক্ষের কাছে। ঘটনার শিকার হওয়া শিক্ষকদের সন্দেহ, এটা এর পিছনে আছে জাতিগত বিদ্বেষ। তার প্রতিবাদে শিক্ষা বিভাগের প্রধান ভারতী বন্দ্যোপাধ্যায়, সংস্কৃতের প্রধান অমলকুমার মন্ডল, অর্থনীতির প্রধান বিন্দি সাউ, রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রধান বঙ্কিমচন্দ্র মন্ডল ওইদিন পদত্যাগপত্র জমা করেছেন।
তফসিলি উপজাতির ওই শিক্ষিকার পাশে দাঁড়িয়ে বি আর আম্বেদকর স্ট্যাডি সেন্টারের অধিকর্তা, সেন্টার ফর বাংলাদেশ স্ট্যাডিজ এবং স্কুল অফ ল্যাংগুয়েজস এন্ড কালচারের অধিকর্তাও পদ থেকে ইস্তফা করেছেন।
কিন্তু উপাচার্য বলেছেন, "ওঁরা আমার দপ্তরে ওঁদের পদত্যাগপত্র জমা করেছেন। কিন্তু আমি গ্রহণ করিনি। ওঁরা যাতে পদত্যাগ না করেন সেই আবেদন রাখছি।" উনি আরো জানান এবিষয়ে একটি কমিটি তৈরী করা হবে। তদন্তের রিপোর্ট পেয়েই উনি যথাযত পদক্ষেপ নেবেন। এই ঘটনার জেরে জেলা থেকে রাজ্যস্তরে তীব্র নিন্দার ঝড় ওঠে। এবং ওই শিক্ষিকার জন্য নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়।
