বিবিপি নিউজ নেটওয়ার্ক: প্রকৃতির ডাক পড়লে কোনোও রকম বিলম্ব নেই তা প্রমাণ করলেন মোটর ম্যান। তবে কোনো গসিপ নয়। যাত্রীবোঝাই লোকাল ট্রেন থামিয়ে রেল লাইনের উপর দাঁড়িয়ে হাল্কা হলেন নিজে। মুম্বইয়ের এই ঘটনাই এখন ভাইরাল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।
জানা গিয়েছে মু্ম্বইয়ে উল্লাসনগর ও ভিট্টলবাড়ি রেলস্টেশনের মাঝে আচমকাই ট্রেন থামিয়ে দেন চালক। ঘটনাস্থলের কিছুটা দূরে ছিলেন সাংবাদিক সোনু শিন্ডে। মোটরম্যানকে ট্রেন থেকে নামতে দেখে ক্যামেরাবন্দি করার সিদ্ধান্ত নেন।
তবে জানা গিয়েছে, সিগন্যাল খোলাই ছিল ট্রেনটির। কিন্তু প্রকৃতির ডাকে সাড়া না দিয়ে আর পারেননি মোটরম্যান। ভিডিয়োটির সত্যতা খতিয়ে দেখছে সেন্ট্রাল রেলওয়ে।
সাধারণত, প্রকৃতির ডাকা সাড়া দিতে হলে লোকো পাইলটদের জরুরি বার্তা পাঠাতে হয় কন্ট্রোল রুমে। পরের স্টেশনেই প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত করে রেল। তবে শহর ও শহরতলির লোকাল ট্রেনের চালকদের সফর শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। সফর শেষ হওয়ার পরই শৌচালয়ে যেতে পারেন তাঁরা। মাঝে কোনও ব্যবস্থা নেই। কিন্তু এভাবে সিগন্যাল খোলা অবস্থায় ওই চালক কিভাবে ট্রেন থামিয়ে এমন কাজ করলেন, তা খতিয়ে দেখছেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
জানা গিয়েছে মু্ম্বইয়ে উল্লাসনগর ও ভিট্টলবাড়ি রেলস্টেশনের মাঝে আচমকাই ট্রেন থামিয়ে দেন চালক। ঘটনাস্থলের কিছুটা দূরে ছিলেন সাংবাদিক সোনু শিন্ডে। মোটরম্যানকে ট্রেন থেকে নামতে দেখে ক্যামেরাবন্দি করার সিদ্ধান্ত নেন।
তবে জানা গিয়েছে, সিগন্যাল খোলাই ছিল ট্রেনটির। কিন্তু প্রকৃতির ডাকে সাড়া না দিয়ে আর পারেননি মোটরম্যান। ভিডিয়োটির সত্যতা খতিয়ে দেখছে সেন্ট্রাল রেলওয়ে।
সাধারণত, প্রকৃতির ডাকা সাড়া দিতে হলে লোকো পাইলটদের জরুরি বার্তা পাঠাতে হয় কন্ট্রোল রুমে। পরের স্টেশনেই প্রয়োজনীয় বন্দোবস্ত করে রেল। তবে শহর ও শহরতলির লোকাল ট্রেনের চালকদের সফর শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়। সফর শেষ হওয়ার পরই শৌচালয়ে যেতে পারেন তাঁরা। মাঝে কোনও ব্যবস্থা নেই। কিন্তু এভাবে সিগন্যাল খোলা অবস্থায় ওই চালক কিভাবে ট্রেন থামিয়ে এমন কাজ করলেন, তা খতিয়ে দেখছেন রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।
