বিবিপি নিউজ: পুরসভা নির্বাচনের আগেই ফের উস্কে দিল চিটফান্ড কান্ড। আমানতকারীদের টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করে রাজ্য সরকার। তবে আইনী মার প্যাচে সেই টাকা ২০১৪ সালে বন্ধ হয়ে যায়। এরপরে ফের সেই টাকার খোঁজ নিতে এক ব্যাক্তির মামলার ভিত্তিতে ফের পাঁচ বছর পর হাইকোর্টের শুনানি হল।
রাজ্য সরকার আমানতকারীদের টাকা ফেরতের জন্য ২০১৩ সালে শ্যামল সেন কমিশনকে ৫০০ কোটি টাকা মঞ্জুর করে। কিন্তু ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে শ্যামল সেন কমিশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপরেই থমকে যায় টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া। ওই সময় রাজ্য সরকারকে কমিশন ১৩৮ কোটি টাকা ফিরিয়ে দেয়।
এই টাকা রাজ্য সরকার কীভাবে ব্যবহার হবে? সেই তথ্য জানতে চেয়ে সুবীর দে নামে এক আমানতকারী ২০২০ সালের ফ্রেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টে মামলা করেন। সেই মামলার ভিত্তিতে আজ বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও শ্রুভ্রা ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চ জানতে চায়, বকেয়া টাকা কী করেছে রাজ্য সরকার? সরকারি আইনজীবী জানান, ইতিমধ্যেই ইএসাই ও চেক মারফত প্রায় ৫ লক্ষ আমানতকারী টাকা পেয়েছেন। তবে বকেয়া টাকা শুধু সারদার আমানতকারীদের দিলে বৈষম্য করা হবে। সেক্ষেত্রে বাকি আমানতকারী যারা সারদা ছাড়া অন্যত্র বিনিয়োগ করে বঞ্চিত হয়েছেন তাঁরাও টাকা পাবেন কি না, এবার সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। আগামী ৪ সপ্তাহ পর হলফনামা দিয়ে জানাবে রাজ্য সরকার। এরপরেই জল্পনা বাড়ছে তবে কি পুরসভা ভোটের আগে নতুন করে টাকা পেতে পারেন আমানতকারীরা? রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা পুরসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারকে চাপে ফেলতে এই পরিকল্পনা,তবে এখন শুধু অপেক্ষা!
রাজ্য সরকার আমানতকারীদের টাকা ফেরতের জন্য ২০১৩ সালে শ্যামল সেন কমিশনকে ৫০০ কোটি টাকা মঞ্জুর করে। কিন্তু ২০১৪ সালের অক্টোবর মাসে শ্যামল সেন কমিশন বন্ধ হয়ে যায়। এরপরেই থমকে যায় টাকা ফেরতের প্রক্রিয়া। ওই সময় রাজ্য সরকারকে কমিশন ১৩৮ কোটি টাকা ফিরিয়ে দেয়।
এই টাকা রাজ্য সরকার কীভাবে ব্যবহার হবে? সেই তথ্য জানতে চেয়ে সুবীর দে নামে এক আমানতকারী ২০২০ সালের ফ্রেব্রুয়ারিতে হাইকোর্টে মামলা করেন। সেই মামলার ভিত্তিতে আজ বিচারপতি জয়মাল্য বাগচি ও শ্রুভ্রা ঘোষের ডিভিশন বেঞ্চ জানতে চায়, বকেয়া টাকা কী করেছে রাজ্য সরকার? সরকারি আইনজীবী জানান, ইতিমধ্যেই ইএসাই ও চেক মারফত প্রায় ৫ লক্ষ আমানতকারী টাকা পেয়েছেন। তবে বকেয়া টাকা শুধু সারদার আমানতকারীদের দিলে বৈষম্য করা হবে। সেক্ষেত্রে বাকি আমানতকারী যারা সারদা ছাড়া অন্যত্র বিনিয়োগ করে বঞ্চিত হয়েছেন তাঁরাও টাকা পাবেন কি না, এবার সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। আগামী ৪ সপ্তাহ পর হলফনামা দিয়ে জানাবে রাজ্য সরকার। এরপরেই জল্পনা বাড়ছে তবে কি পুরসভা ভোটের আগে নতুন করে টাকা পেতে পারেন আমানতকারীরা? রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা পুরসভা নির্বাচনের আগে রাজ্য সরকারকে চাপে ফেলতে এই পরিকল্পনা,তবে এখন শুধু অপেক্ষা!
