বিবিপি নিউজ: লকডাউনের চতুর্থ দিনে রাজ্যে আক্রান্ত বেড়ে ১৭। উত্তর থেকে পূর্ব দক্ষিণ থেকে পশ্চিম যে দিকেই তাকাবে সেদিকেই জনশুন্য। দেশের এমন জরুরি পরিস্থিতিতে, জরুরি পন্যের পরিষেবা কর্মীদের পুলিশি হেনস্তার হাত থেকে রেহাই পেতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নির্দেশ মেনে এবার আবশ্যিক পণ্যগুলির হোম-ডেলিভারি সচল রাখতে উদ্যোগী কলকাতা হলেন পুলিশ।
এই সময়ে ই-কমার্স সংস্থা এবং ডেলিভারি-কর্মীদের জন্য বিশেষ অনুমতি পত্র বা পাস চালু করা হল। শনিবার এই পদ্ধতির সূচনা করেন কলকাতা পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা। করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত লকডাউন জারি হয়েছে গোটা দেশে। লকডাউন চলছে বাংলাতেও। তবে বহু ক্রেতারই অভিযোগ, দোকানের ভিড় এড়াতে নেটে ভরসা করা যাচ্ছে না। দোকানের ভিড় এড়াতে নেট-বাজারই ভরসা ছিল অনেকেরই। তবে লকডাউনের সময় নেটে পণ্যের বরাত দেওয়া যাচ্ছে না বলে অভিযোগ। কেনা যাচ্ছে না খাদ্যপণ্য বা ওষুধের মতো জরুরি জিনিসগুলি। অন্যদিকে, পণ্য পরিবহণে বাধার অভিযোগে পরিষেবা সাময়িক বন্ধের কথা অভিযোগ করছিল ই-কমার্স সংস্থাগুলি।কলকাতা পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, ওই পাস পেতে সংশ্লিষ্ট বিক্রেতাকে এই ওয়েবসাইটের গিয়ে https://coronapass.kolkatapolice.org সেখানে অনলাইন অ্যাপ্লিকেশ ফর্ম ভরলে, ইমেইল বা SMS মারফত একটি QR কোড পাঠানো হবে। সেই কোডের মাধ্যমে ডাউনলোড করে নেওয়া যাবে এই অনুমতি পত্র বা কার্ফু পাস।এরপর বিভিন্ন পুলিশি চেকপয়েন্টে এই পাস দেখালে পণ্য পরিবহণে ছাড় দেওয়া হবে।
