বিবিপি নিউজ,পাভেল রহমান: করোনা মোকাবিলায় দেশ জুড়ে চলছে দ্বিতীয় পর্যায়ে লকডাউন। চলবে তেসরা মে পর্যন্ত। এরপরে কি আবারো লকডাউন বাড়বে? সেই সিদ্ধান্ত হবে আজ সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীদের সঙ্গে বৈঠকে। এদিনের বৈঠকে করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের মধ্যে সতর্কতা বজায় রেখেও কীভাবে অর্থনীতির চাকা ঘোরানো সম্ভব সেই বিষয়ে বিশদ আলোচনা হবে।
এদিনের বৈঠকে মোট চারটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রথমত, লকডাউনের সময়সীমা গোটা দেশজুড়ে না বাড়িয়ে কীভাবে সতর্কতা অবলম্বন করে রাজ্যের করোনামুক্ত এলাকা লকডাউন শিথিল করে স্বাভাবিক জীবন, জীবিকায় ফিরিয়ে আনা যায়।দ্বিতীয়ত, ভিন রাজ্যে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের ঘরে ফেরানোর জন্য কি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তৃতীয়ত,সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে কীভাবে পরিবহন ব্যবস্থা সচল করা যায়। চতুর্থ, কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্ গুলিকে আর্থিক প্যাকেজ দেবে কিনা।এছাড়াও আরও বেশ কিছু বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে চিন্তার বিষয় লকডাউন উঠে গেলে হু-এর কর্তার সতর্কতাবাণী মতো যদি ভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যায় তাহলে কি করবে।
কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের তথ্য অনুযায়ী দেশের ৭১৮টি জেলার মধ্যে ২৮৯টি জেলা এখনও পর্যন্ত সম্পূর্ণ করোনা মুক্ত। এর পাশাপাশি গোয়া, মণিপুর, ত্রিপুরা,অরুণাচল, সিকিম করোনা মুক্ত ঘোষণা করেছে। তাই করোনামুক্ত জেলা ও গ্রিন জোনকে পৃথক করে সেখানে লকডাউন তুলে দিয়ে স্বাভাবিক জীবনে প্রবেশ করার প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। রাজ্যগুলি কেন্দ্রকে জানাবে, কোন কোন জেলা, মহকুমা, ব্লক করোনা মুক্ত। সেইমতোই ওইসব এলাকাকে লকডাউন থেকে ছাড় দেওয়া হতে পারে। এই প্রস্তাব নিয়ে কেন্দ্রের মন্ত্রিগোষ্ঠীর বৈঠকেও আলোচনা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী আজ রাজ্যগুলির মতামত নিয়ে ৩০ এপ্রিলের পর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করবেন।
