বিবিপি নিউজ: দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন। এই পরিস্থিতিতে জরুরি পরিষেবা ব্যতিত সবকিছুই বন্ধ। এমন অবস্থায় সঠিক সময়ে চিকিৎসার অভাবে মৃত্যু হল তিন বছরের শিশুর। ছিল না অ্যাম্বুলেন্স, ফলে পৌঁছাতে পারেনি হাসপাতালে। রাস্তায় মৃত হল। ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবারে বিহারের জাহানাবাদের এক সরকারি হাসপাতলে।
মৃত শিশুর বাবা গিরেজ কুমার জানিয়েছেন, অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ার অভাবেই তার ছেলের মৃত্যু হয়েছে। তিনি জানান তিন বছরের পুত্র সন্তান গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিল। শাহাপুর গ্রামের স্থানীয় চিকিৎসক তাদের বলেন যে, শিশুটির অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। এরপর জাহানাবাদ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকেও শিশুটিকে রেফার করা হয় পটনা মেডিকেল কলেজে। কিন্তু সেখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের অ্যাম্বুলেন্সের দরকার।
আর সেই অ্যাম্বুলেন্স খুঁজতে গিয়েই বিপত্তি ঘটে যায়। লকডাউন এর প্রভাবে অ্যাম্বুলেন্স জোগাড় করতে পারেনি আর তার ফলস্বরূপ খোয়াতে হয় তাদের ছোট্ট সন্তানকে। শিশুটির পরিবার অভিযোগ যে, এ নিয়ে হাসপাতাল তাদেরকে কোন সাহায্য করেনি। সম্প্রতি ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, যেখানে দেখা যাচ্ছে ছোট্ট ছেলেটির মৃতদেহ জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন অসহায় মা। পাশে বাবাও রয়েছেন। তাকে কোনো সাহায্য লাগবে কিনা জিজ্ঞেস করলেন এক ব্যক্তি। এরপর অসহায় বাবা উত্তর দেন,”আর অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে আমরা কী করব।” সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরে একেবারে নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন।
মৃত শিশুর বাবা গিরেজ কুমার জানিয়েছেন, অ্যাম্বুলেন্স না পাওয়ার অভাবেই তার ছেলের মৃত্যু হয়েছে। তিনি জানান তিন বছরের পুত্র সন্তান গত কয়েকদিন ধরেই অসুস্থ ছিল। শাহাপুর গ্রামের স্থানীয় চিকিৎসক তাদের বলেন যে, শিশুটির অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। এরপর জাহানাবাদ সরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকেও শিশুটিকে রেফার করা হয় পটনা মেডিকেল কলেজে। কিন্তু সেখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাদের অ্যাম্বুলেন্সের দরকার।
আর সেই অ্যাম্বুলেন্স খুঁজতে গিয়েই বিপত্তি ঘটে যায়। লকডাউন এর প্রভাবে অ্যাম্বুলেন্স জোগাড় করতে পারেনি আর তার ফলস্বরূপ খোয়াতে হয় তাদের ছোট্ট সন্তানকে। শিশুটির পরিবার অভিযোগ যে, এ নিয়ে হাসপাতাল তাদেরকে কোন সাহায্য করেনি। সম্প্রতি ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, যেখানে দেখা যাচ্ছে ছোট্ট ছেলেটির মৃতদেহ জড়িয়ে ধরে কাঁদছেন অসহায় মা। পাশে বাবাও রয়েছেন। তাকে কোনো সাহায্য লাগবে কিনা জিজ্ঞেস করলেন এক ব্যক্তি। এরপর অসহায় বাবা উত্তর দেন,”আর অ্যাম্বুলেন্স দিয়ে আমরা কী করব।” সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও ভাইরাল হওয়ার পরে একেবারে নড়েচড়ে বসে জেলা প্রশাসন।
