বিবিপি নিউজ: অশ্রাব্য ভাষায় গালাগালি দিয়েছিল প্রতিবেশীকে। আর এর পরিনাম হিসেবে জেল হেফাজতে হয় ওই ঠিয়া পাখির। এটাই মনে হয় ভারতের ইতিহাসে বিরলতম ঘটনা। জানা গেছে, বাড়ির পাশ দিয়ে গেলেই অশ্রাব্য গালাগালি করত টিয়াপাখিটি। আর এই অভিযোগেই হাজতে থাকতে হয়েছিল মহারাষ্ট্রের টিয়াপাখিটিকে।
মহারাষ্ট্রের এক বাসিন্দা হরিয়াল নামের একটি টিয়াপাখি পুষেছিলেন। কিন্তু টিয়া টির বদ অভ্যাস ছিল। সে এক মহিলাকে দেখলেই অকথ্য স্পষ্ট ভাষায় গালাগালি করত। জনাবাই সাখারকর নামের অভিযোগকারিণীর সৎ ছেলে সুরেশ ওই পাখিটি পুষেছিলেন। তাঁর বাড়িতেই থাকত টিয়াটি। সুরেশের বাড়ির পাশ দিয়ে যখন জনাবাই যেতেন, তখনই নাকি গালাগালি করত হরিয়াল নামের ওই টিয়া। একদিন , দু'দিন নয় । টানা দু'বছর ধরে এমনটাই চলছিল। বাড়ির পাশ দিয়ে গেলেই কদর্য ভাষায় গালিগালাজ করত টিয়াটি।
সত্যি, এভাবে তো আর চলা যায় না। অগত্যা টিয়াটির নামে থানাতে অভিযোগ জানিয়েছিলেন জনাবাই ।প্রথমটায় অবশ্য পুলিশের কাছেও হাস্যকর লেগেছিল বিষয়টি । কিন্তু তাতে অবশ্য জনাবাইয়ের অভিযোগ হালকাভাবে নেননি পুলিশ আধিকারিকরা । বেশ গুরুত্ব দিয়েই তদন্ত শুরু করে পুলিশ ।তদন্ত শুরুর পর জানা যায়, জনাবাই ও তাঁর সৎ ছেলে সুরেশের মধ্যে জমিজমা নিয়ে বিবাদ চলছে । পুলিশের অনুমান ছিল, সুরেশ হয়ত জনাবাইকে নিয়ে কটুক্তি করত । আর সেই থেকেই হরিয়াল ওই গালাগালি শিখেছিল ।টিয়াটিকে থানায় পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয় । তবে সেখানে কিন্তু একটিও খারাপ শব্দ উচ্চারণ করেনি টিয়াটি । কিন্তু এরপরেও সব দোষ যায় পাখিটির উপর । আর শেষ পর্যন্ত পাখিটিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ । পরে অবশ্য পুনর্বাসনের জন্য বনদপ্তরের হাতে তুলে দেওয়া হয় হরিয়ালকে।
#সূত্র: ইটিভি ভারত
