বিবিপি নিউজ: ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক ছেদ পড়ার পর চিনা কুটনৈতিকে বেশ কিছুদিন প্রশ্রয় দিয়েছিলেন। যার জেরে বড়সড় ধাক্কা খেতে হয় নেপালকে। এক ধাক্কায় বদলে যায় নেপালের বাজার। আকাল দেখা দেয়। এরপরেই নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির বিরুদ্ধেই তার দলের মন্ত্রীরাই প্রধানমন্ত্রীকে সরাতে উঠে পড়ে লেগেছে। আজ শনিবার বৈঠক করে সে বিষয়ে চিন্তাভাবনা করবেন। অলিকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে সরানোর জন্য ঘরে-বাইরে প্রবল ভাবে চাপ রয়েছে। বিরোধীরা তো তাঁকে পছন্দ করছেনই না। উপরন্তু, নিজের দলেও কোণঠাসা হয়ে পড়েছেন কেপি শর্মা অলি।
সাম্প্রতিক কিছু পদক্ষেপের কারণে শাসকদলের প্রবীণ নেতারা তাঁকে পছন্দ করছেন না। অলিকে তাঁরা সরাসরি বলেছেন ইস্তফা দিতে। যদিও, অলি এক অর্থে পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। পার্টির চেয়ারম্যান হিসেবে সম্প্রতি নিজে সংগঠনের বৈঠক ডেকে, নিজেই অনুপস্থিত ছিলেন। এর পর, সংগঠন তার উপর আরও চটেছে। প্রবীণ নেতাদের বক্তব্য, নিজে বৈঠক ডেকেও উপস্থিত না-থেকে অলি যা করেছেন, তা সংগঠনকে অপমান। দলীয় সূত্রে জানা যায়, এখন দলের মুখোমুখি হওয়া মানে, তাঁকে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হবে। অলি সেটা ভালো মতোই জানেন। তাই সংগঠনকে তিনি এড়িয়ে চলতে চাইছেন। নিজের কুরসি নিয়ে প্রবল চাপে পড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন নেপালের প্রধানমন্ত্রী। কাঠমান্ডুর এক হাসপাতালে বুকে ব্যথা নিয়ে বৃহস্পতিবার ভর্তিও হয়েছিলেন।
এই অবস্থায় নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির ৪৫ সদস্যের স্ট্যান্ডিং কমিটি শনিবার বৈঠকে বসতে চলেছে। এই বৈঠকেই অলির ভবিষ্যত্ চূড়ান্ত হয়ে যাবে। অর্থাত্ অলি আদৌ প্রধানমন্ত্রী থাকবেন কি না, পার্টির স্থায়ী কমিটিই তা ঠিক করে দেবে।
