বিবিপি নিউজ,নিজস্ব সংবাদদাতা: লক্ষ্মী পূজার পর থেকে কয়েকটা দিন অস্বস্তিকর গরমের মধ্যে কাটাতে হচ্ছিল বঙ্গবাসীকে। আবহাওয়া দপ্তরের পূর্বঘোষিত মত, বঙ্গে নিম্নচাপের হাত ধরেই শীত আসতে চলেছে। আমজনতা তারই প্রতীক্ষায় প্রহর গুনতে শুরু করেছিল।অবশেষে মঙ্গলবার সন্ধ্যা নামতেই শরীরে হালকা শীতের অনুভূতি হয়। সকাল হতে না হতেই উত্তরের হাওয়ায় ভর করে শীতের আমেজে মনটা ভরিয়ে তুলল আমজনতার।হয়তো সেই শীতের তীব্রতা ততটা নেই, তবু কিন্তু হেমন্তের এই মাঝামাঝিতে শীত শীত ভাব, তাই মনের মধ্যে এক ফুর্তি এনে দিল হেমন্ত নিজেই।
কদিন ধরেই কখনো ২৯ডিগ্রি, কখনো বা ৩০ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি ঘোরাফেরা করেছে তাপমাত্রা। কিন্তু আজকে এক ধাক্কায় শহরের তাপমাত্রা কমে গেল প্রায় দুই ডিগ্রি।রাজ্যের অন্যান্য জেলাতেও যেমন বাঁকুড়া পুরুলিয়া মেদিনীপুররেও বেশ ভালই শীতের অনুভব করলো জেলাবাসী। এর পাশাপাশি আবহাওয়া দপ্তর জানিয়েছে কয়েকটা দিন অতিবাহিত হলেই সকালের দিকে রৌদ্রোজ্জ্বল আবহাওয়ার সাথে সাথে রাতের দিকে শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে।হাওয়া অফিস আরও মনে করছে, অগ্রহায়ণের আগেই অর্থাৎ হেমন্তের শেষে শীত যে তার তীব্রতা আরো বাড়বে তা এখন থেকেই আঁচ পাওয়া যাচ্ছে। যদিও এর পিছনে করোনাভাইরাসের ও একটু হাত থেকে থাকে। কেননা এই আট মাসের মধ্যেই অর্থাৎ দীর্ঘ লকডাউন বর্ষাকালে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ অনেকটাই বাড়িয়ে দিয়েছিল। তার একমাত্র কারণ কিন্তু অতিমাত্রায় যানবাহন চলাচল না করায় পরিবেশ দূষণমুক্ত ছিল। তাই তার প্রভাব এখনো চলছে আর তাতে ভর করেই হয়তো শীতের তীব্রতা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করছে বঙ্গবাসী সহ আবহাওয়াবিদরাও।
