বিবিপি নিউজ,ভাটপাড়া: উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে জগদ্দল। দ্বিতীয় দফায় নির্বাচনের দুই দিন আগে তৃণমূল-বিজেপির সংঘর্ষকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়াল। অভিযোগ উঠেছে নোয়াপাড়ার প্রার্থী অর্জুন সিং-এর উপর হামলার। থানার সামনেই দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়ায়। চলল মারধর, ইট-পাথর ছোড়াছুড়ি। চলে গুলিও। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ান।পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা।
অভিযোগ, বিজেপি প্রার্থী পবন সিংয়ের বাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। সেইসময়ই গুলিবিদ্ধ হন পবন সিংয়ের নিরাপত্তারক্ষী এক সিআইএসএফ জওয়ান। ঘটনাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় তৃণমূল কাউন্সিলর-সহ ৪ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ঘটনায় রিপোর্ট তলব করেছে নির্বাচন কমিশন। এদিকে, আজ মোদীর সভা রয়েছে ব্যারাকপুরে। তার আগে উত্তপ্ত হয়ে উঠল জগদ্দল। অশান্তির সূত্রপাত গতকাল রাতে। জগদ্দলের বিজেপি প্রার্থী রাজেশ কুমারের অভিযোগ, তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন। এফআইআর করা হয়নি। কবে করবে তিনি জানেন না। তারপরই দেখা যায় তৃণমূলের এক গুণ্ডাবাহিনী থানায় ঢুকে যায়। প্রায় দেড়-দুশো লোক ছিল। তাঁর উপর হামলা চালানো হয়। সেইসময় পুলিশ পালিয়ে যায় বলে অভিযোগ তোলেন রাজেশ কুমার। খবর পেয়ে থানায় পৌঁছন অর্জুন সিং। নোয়াপাড়ার বিজেপি প্রার্থী অর্জুন সিং জানান, হামলার খবর পেয়ে তিনি থানায় আসেন। তৃণমূলের প্রচুর লোক সেইসময় ঘটনাস্থলে ছিল। সেইসময় তালা মেরে পুলিশ ভিতরে বসেছিল বলে অভিযোগ অর্জুন সিংয়ের।
এরপরই বিজেপি প্রার্থী পবন সিংয়ের বাড়িতে হামলা অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। অভিযোগ, আচমকা তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি ইট ছুড়তে শুরু করেন তৃণমূলের কর্মী-সমর্থকরা। সেইসময় বেরিয়ে আসেন পবনের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা CISF জওয়ান যোগেশ শর্মা। তখনই তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালানোর অভিযোগ ওঠে। তাঁর পায়ে গুলি লেগেছে বলে জানা গিয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে আহত জওয়ানকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তাঁকে কলকাতায় নিয়ে আসা হয়। বাইপাসের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয় তাঁকে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে তৃণমূল।