বিবিপি নিউজ,কলকাতা: কেন্দ্রীয় সরকারের ওয়াই প্লাস নিরাপত্তা পেলেন উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসতের তৃনমূলের সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার। রাজ্যে পালাবদল ঘটার পর থেকে তৃণমূল নেতৃত্বের নিরাপত্তায় কাটছাঁট চলছে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিরাপত্তা কাটছাঁট করা হয়েছে। নিরাপত্তা, কনভয়ে কাটছাঁট হয়েছে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমেরও। ঠিক সেই সময়ে উলটপুরন দেখা মিললো কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ক্ষেত্রে।
সম্প্রতি লোকসভার মুখ্য সচেতক পদ থেকে কাকলিকে সরিয়ে দিয়েছে তৃণমূল। সেই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় উষ্মাও প্রকাশ করেছিলেন কাকলি। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে তার পরই কেন্দ্রীয় সুরক্ষা পেলেন কাকলি। কেন কেন্দ্রীয় সুরক্ষা পেলেন কাকলি, তার সঠিক উত্তর এখনও জানা যায়নি। সোমবার থেকে কাকলিকে কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা দেওয়া হয়েছে। মধ্যমগ্রামে কাকলির বাড়িতে দেখতে পাওয়া যায় CISF জওয়ানদের। এমনকি বিকেলে যখন মধ্যমগ্রাম বারাসাত সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের কার্যালয়ে যখন বৈঠক করতে যান তিনি, সেখানেও কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা ছিল তাঁর সঙ্গে। কাকলি এখনও পর্যন্ত এ নিয়ে কোনও প্রতিক্রিয়া জানাননি।তবে বিজেপি-র রাজু বন্দ্যোপাধ্যায় ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। তাঁর দাবি, দলের মধ্যেই হয়ত 'থ্রেট' থাকতে পারে। সেই আশঙ্কা থেকেই কাকলিকে নিরাপত্তা দিয়ে থাকতে পারে কেন্দ্র। আরও এককদম এগিয়ে বিজেপি-র রাজ্য সহ-সভাপতি রাজু বলেন, "ওঁর দলের থেকেই থ্রেট আছে হয়তো। কারণ সবথেকে বেশি খুন হয়েছে, তৃণমূলের আগের সরকারের ছিল... বিধায়ক খুন হয়ে যাচ্ছেন, কাউন্সিলররা মুড়ি-মুড়কির মতো খুন হয়ে যাচ্ছেন, পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান, চেয়ারম্যান ছেড়ে দিন...সব প্রকাশ্য দিবালোকে মার্ডার করে দিয়ে চলে যাচ্ছে তৃণমূলের গুন্ডারা। কোনও থ্রেট থাকলে কেন্দ্রীয় সংস্থার কাছে খবর থাকে। তিনি সাংসদ। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা পেতেই পারে। কেন্দ্র যদি মনে করে কাউকে নিরাপত্তা দেবে, দিতেই পারে।"
