বিবিপি নিউজ: বলিউড অভিনেতা রাজপাল যাদব আইনি ও আর্থিক সংকট টেনে আনলেও নিজের জনপ্রিয়তায় একটুও ভাটা পড়েনি বলে দাবি করেন। এখনো আগের মতোই জনপ্রিয় এবং সংকটকালে পরিস্থিতি তার দীর্ঘ ক্যারিয়ারের সুনাম নষ্ট করতে পারেনি। সম্প্রতি একটি সর্বভারতীয় গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে চেক বাউন্স মামলায় সংক্ষিপ্ত সময়ের জন্য কারাবাসের পর এমনটাই জানিয়েছেন রাজপাল যাদব।
আর্থিক বিরোধের জের ধরে মুরলি প্রজেক্টস প্রাইভেট লিমিটেডের করা একাধিক চেক বাউন্স মামলায় সম্প্রতি দিল্লি হাইকোর্ট রাজপাল যাদব ও তার স্ত্রী রাধা যাদবের সাজা বহাল রাখেন। আদালত নির্দেশ দিলে তিনি দিল্লি তিহার জেলে আত্মসমর্পণ করেন। কিছু দিন কারাভোগের পর বাদীর পাওনার একটি অংশ পরিশোধ করায় পরে জামিনে মুক্তি পান তিনি।
মুক্তির পর অভিনেতা রাজপাল যাদব একজন অনুগত শিল্পের ছাত্র বলে দাবি করেন। কাজের প্রতি ডেডিকেশন রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, বিগত ৩০-৪০ বছরে গ্রাম থেকে শুরু করে এখানে আসার জার্নিতে আমি যদি ১০০-২০০ মানুষের কাছে ঋণী থাকি, তবে সেই অর্থ তাদের কাছে পৌঁছে যাবে।
রাজপাল যাদব বলেন, কারণ আমি জানি তা কোথায় আছে। কিন্তু আমার প্রশ্ন হলো— তহবিল যখন সংকটে পড়ে, তখন মানুষ কীভাবে একজন শিল্পীর পুরো বায়োডাটার ওপর বাজি ধরে? টাকার বিনিময়ে তাকে কেনা সম্ভব নয় দাবি করে তিনি বলেন, ‘রাজপাল যাদব সংকটে থাকুক কিংবা ভালো থাকুক— এয়ারপোর্টে গেলে এখনো ৫০০ মানুষ সেলফি তুলতে আসে। বিশ্বে রাজপাল এতটাই দায়িত্বশীল একজন অভিনেতা বলে জানান রাজপাল যাদব। তিনি বলেন, আমাকে কেউ ৫ কোটি, ১০ কোটি, ১০০ কোটি বা ২৫০ কোটিতে কিনতে পারবে না। কারণ আমি শৈশব থেকেই শিল্পের নামে নিজেকে সঁপে দিয়েছি। টাকার জন্য কেউ আমাকে কিনতে পারবে না, আমার এ কথায় বিশ্বাস রাখুন।
জনপ্রিয় অভিনেতা আরও বলেন, অভিনয়ের এই পথচলায় আমি থিয়েটার ও সিনেমার একজন পূজারী। এটাকে ক্ষতি বলুন বা যা-ই বলুন, আমি ১০০% নিশ্চিতভাবে এমন কিছু তৈরি করে দিয়ে যাব, যেন ২০০০ থেকে ২০২৬ সাল পর্যন্ত রাজপালের অবদান আপনারা দেখতে পান। এর জন্য এক বা দুই বছর সময় লাগতে পারে। রাজপাল বলেন, আমি প্রথম দিন থেকেই বলেছি যে, আমি কখনোই হারিয়ে যাইনি ছবি বানিয়েও না, ঘর বানিয়েও না কিংবা ক্যারিয়ার বানিয়েও না।
| রাজপাল যাদব | বলিউড অভিনেতা | এয়ারপোর্ট| ছবি | অভিনেতা| জনপ্রিয় অভিনেতা|
