বিবিপি নিউজ,নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা: রাজ্যজুড়ে হিংসাত্মক ঘটনা দৈনন্দিন রুটিনে পরিণত হয়েছে। আর সেই নিয়ে মঙ্গলবার সংসদে সরব হলেন মেদিনীপুরের বিজেপি সাংসদ তথা বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। এই মুহূর্তে 'কাটমানি' নিয়ে রাজ্য রাজনীতি সরগরম। তাই প্রথম আঘাতটা যে 'কাটমানি' দিয়েই আসবে তা বলাই বাহুল্য। এদিন সংসদে তিনি বলেন, "যারা আট বছর ধরে কাটমানি লুটে এসেছে, জনসাধারণ তাদেরই বাড়ির সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছে।" এবং "মুখ্যমন্ত্রীর কাটমানি ফেরতের জন্য আলাদা করে আইন তৈরি করবেন বলা কে" কটাক্ষও করেন।
পাশাপাশি তিনি এও বলেন, "বাংলায় যে সরকার আট বছর ধরে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় চলছে, তার পরেও সেই সরকারের সাংসদ, বিধায়ক,কাউন্সিলাররা বিজেপিতে দলে দলে যোগদান করতে চলে আসছে" বলেও মন্তব্য করেন।
বাংলায় শিক্ষা আইন বিচার ব্যবস্থা যে একেবারে তলানিতে পৌঁছেছে সে বিষয়ে বিজেপি সাংসদ দিলীপ ঘোষ তিরস্কারের সুরে বলেন, "সরকার আছে কিন্তু আইন ব্যবস্থা নেই, গণতন্ত্রকে খুঁজতে হবে, কোথায় আছে গণতন্ত্র, থানা আছে পুলিশ নেই, স্কুল আছে শিক্ষক নেই,কলেজ আছে প্রফেসার নেই,সবাই ধর্ণাতে বসে আছে।কোর্ট আছে বিচারক নেই। এইরকম সোনার বাংলা তৈরি করে আমাদের দিয়েছেন।"
মাত্র একমাস আগেই বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দিল্লির মসনদে দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী তখ্তে বসেছেন নরেন্দ্র মোদী।সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচনে ৫৪২ টি আসনে ভোট হয়েছে। দেশজুড়ে ৫০০ টি আসনে কোথাও কোনো দুর্ঘটনা ঘটে নি শুধু বাংলার ৪২টি আসনেই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে বলেও সংসদে এদিন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ দাবি করে বলেন, "বাংলায় লোকসভা ভোট চলাকালীন খুন হয়েছে, মানুষ রাস্তা অবরোধ করেছে, বাংলায় ভোট দেওয়ার লোক আছে কিন্তু প্রয়োগ করার অধিকার নেই, সরকার আছে কিন্তু লোক তন্ত্র নেই।"এছাড়া রাজ্যের শাসক দলকে তীর্যক মন্তব্য করে বলেন, "যখন ভোটে ইভিএমে হেরে যায় তখন ব্যালটের কথা বলে, যখন ব্যালটে হেরে যাবে তখন ইএম এর কথা বলবে,আর যখন সব জায়গাতেই হেরে যাবে তখন ভোটই বন্ধ করে দেবে সরকার।"
আরো দ্রুত আপনার ফোনে খবর পেতে ক্লিক করুন 👉 WHATSAPP
