সম্পাদক মাসুদুর রহমানের কলমে।
একটা সপ্তাহ অতিবাহিত হয়ে গেল। সমস্যা যেখানে শুরু হয়েছিল সেখানেই দন্ডায়মান। গত সপ্তাহের এই সোমবারেই রোগীর মৃত্যুর কারণের জন্য রোগীর আত্মীয় পরিজন এন আর এস এর ডাক্তারদের সাথে প্রথমে বচসা তারপর রণক্ষেত্র। ফলস্বরূপ অনির্দিষ্ট কালের জন্য ডাক্তারদের কর্মবিরতি। তারপর সারাটা সপ্তাহ জুড়ে এই সমস্যার সলতে পাকাতে পাকাতে আজ সুনামির আকার নিয়েছে। এক সপ্তাহ পরে সেই সোমবারে ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের পূর্বঘোষিত আজ ভোর ছটা থেকে মঙ্গলবার ভোর ছয়টা পর্যন্ত দেশের সমস্ত হাসপাতালগুলিতে জরুরি পরিসেবার বাইরে যাবতীয় কাজকর্ম স্তব্ধ হবে। কিন্তু আর কতদিন চলবে এই সমস্যা?যে সমস্যাকে অঙ্কুরেই বিনাশ করা যেত সেই সমস্যাকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার দাম্ভিক কথাবার্তায় লেলিহান শিখায় পরিণত করেছেন।
ঘটনার সূত্রপাত এন আর এস আর মুখ্যমন্ত্রী পর্যবেক্ষণে গেলেন এসএসকেএম-এ।সেখানে গিয়ে অপ্রীতিকর কিছু কথাবার্তা। পরিশেষে জুনিয়র ডাক্তারদের জেদ বাড়িয়ে দিয়ে অনড় অবস্থান।রাজ্যজুড়ে সমালোচনার বন্যা বয়ে গেছে।দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।তবুও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনো পর্যন্ত তাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করতে যায়নি।পরিশেষে মাশুল দিতে হচ্ছে সদ্যজাত শিশু থেকে আপামর বঙ্গবাসী কে। কোন যুক্তিতে কোন নিয়মের জাঁতাকলে পড়ে সদ্যজাতের মৃত্যু হয়। এই অমানবিকতার ঝড় কবে থামবে। সাধারণ মানুষ থেকে বুদ্ধিজীবী ডাক্তার দের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।তারা যে শপথ বাক্য পাঠ করে ডাক্তারী পেশায় আসেন সেটা কি নিছকই একটা কথার কথা।এই ঝড় কি আগেও থামবে না কি এই ঝড়ে এখনো অসংখ্য মানুষের বলিদান এর প্রয়োজন আছে?
একটা সপ্তাহ অতিবাহিত হয়ে গেল। সমস্যা যেখানে শুরু হয়েছিল সেখানেই দন্ডায়মান। গত সপ্তাহের এই সোমবারেই রোগীর মৃত্যুর কারণের জন্য রোগীর আত্মীয় পরিজন এন আর এস এর ডাক্তারদের সাথে প্রথমে বচসা তারপর রণক্ষেত্র। ফলস্বরূপ অনির্দিষ্ট কালের জন্য ডাক্তারদের কর্মবিরতি। তারপর সারাটা সপ্তাহ জুড়ে এই সমস্যার সলতে পাকাতে পাকাতে আজ সুনামির আকার নিয়েছে। এক সপ্তাহ পরে সেই সোমবারে ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশনের পূর্বঘোষিত আজ ভোর ছটা থেকে মঙ্গলবার ভোর ছয়টা পর্যন্ত দেশের সমস্ত হাসপাতালগুলিতে জরুরি পরিসেবার বাইরে যাবতীয় কাজকর্ম স্তব্ধ হবে। কিন্তু আর কতদিন চলবে এই সমস্যা?যে সমস্যাকে অঙ্কুরেই বিনাশ করা যেত সেই সমস্যাকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তার দাম্ভিক কথাবার্তায় লেলিহান শিখায় পরিণত করেছেন।
ঘটনার সূত্রপাত এন আর এস আর মুখ্যমন্ত্রী পর্যবেক্ষণে গেলেন এসএসকেএম-এ।সেখানে গিয়ে অপ্রীতিকর কিছু কথাবার্তা। পরিশেষে জুনিয়র ডাক্তারদের জেদ বাড়িয়ে দিয়ে অনড় অবস্থান।রাজ্যজুড়ে সমালোচনার বন্যা বয়ে গেছে।দেশজুড়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।তবুও রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখনো পর্যন্ত তাদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাত করতে যায়নি।পরিশেষে মাশুল দিতে হচ্ছে সদ্যজাত শিশু থেকে আপামর বঙ্গবাসী কে। কোন যুক্তিতে কোন নিয়মের জাঁতাকলে পড়ে সদ্যজাতের মৃত্যু হয়। এই অমানবিকতার ঝড় কবে থামবে। সাধারণ মানুষ থেকে বুদ্ধিজীবী ডাক্তার দের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলছে।তারা যে শপথ বাক্য পাঠ করে ডাক্তারী পেশায় আসেন সেটা কি নিছকই একটা কথার কথা।এই ঝড় কি আগেও থামবে না কি এই ঝড়ে এখনো অসংখ্য মানুষের বলিদান এর প্রয়োজন আছে?