বিবিপি নিউজ,নিজস্ব প্রতিনিধি,কলকাতা: 'আষাঢ়স্য প্রথম দিবস' পঞ্জিকা মতে তীব্র তপন ক্লিষ্ট গ্রীষ্ম ঋতুর অবসান। বর্ষার বারিধারায় সিক্ত হবার পালা জীবকুলের।তীব্র তপন দহনে বিদীর্ণ হওয়া ধরিত্রীর বুক ফুটিফাটা।সুদীর্ঘ উপসি বুকে অমৃত সমান বারি সিঞ্চনে সেও হবে আমোদিত।কিন্তু বেশ কিছুদিন ধরে গরমের দাবদাহে হৃদি তনু মন বলে উঠছে -"আল্লাহ মেঘ দে পানি দে",তা সত্ত্বেও আকাশে মেঘ শামিয়ানার দেখা নাই।
মূলত প্রতি বছর ১৪ ই জুন থেকে ১৬ ই জুন এর মধ্যে বর্ষার আগমন হয়। এবার ও সেরকমই পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর।যদিও হাওয়া অফিসের মতামত অনুযায়ী উত্তরবঙ্গে বিক্ষিপ্তভাবে শুরু হয়েছে বর্ষা।তবুও দক্ষিণবঙ্গ সেখানে এখনো ব্রাত্য। দক্ষিণবঙ্গে কবে বর্ষা ঢুকবে তারই প্রহর গুনছে শহর থেকে গ্রাম বাসি।
কদিন জীবন অতিষ্ঠ করে গরমের পরে অবশ্য আকাশের মুখ ভার আর তাতে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে অস্বস্তিকর ঘাম।এই গুমোট পরিস্থিতি মানুষের আর কতদিন ভোগান্তির কারণ হয়ে উঠবে। নাকি সমস্ত জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে বঙ্গ আকাশে বজ্রগর্ভ মেঘের সঞ্চার করে বর্ষার আগমন বার্তায় জানান দেবে।সেদিকেই চাতক পাখির মতো চেয়ে আছে বঙ্গবাসী।
