বিবিপি নিউজ,নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা: ঘটনার সূত্রপাত ২০১৯ এর জানুয়ারি মাস থেকে।ওই মাসেই গোটা দেশের বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলির প্রতিনিধিত্ব করতে এসেছিলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ডাকে ব্রিগেডের মহাসমাবেশে। সেই মহাসমাবেশ যেন হয়ে উঠেছিল এক দেশ এক মঞ্চ। তা সারা দেশের মানুষ চাক্ষুষ দেখেছেন। সেই মঞ্চ থেকে কোন কোন জাতীয় স্তরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের মুখ থেকে শোনা গিয়েছিল যে আগামী লোকসভা নির্বাচনে এই মহাজোটের নেতৃত্ব দেবেন স্বয়ং বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তিনিই হবেন আগামী ভারতের প্রধানমন্ত্রী। এরপর সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন যতই এগিয়ে আসতে লাগলো বাংলার শাসক দলের গ্রাম সদস্য থেকে শুরু করে বিধায়ক মন্ত্রী সকলেই বাংলা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রধানমন্ত্রী করার আশায় বুক বেঁধে ছিলেন। কিন্তু সময় যত গড়িয়েছে ততই জাতীয় স্তরে যাঁদের নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী স্বপ্নের সৌধ বানিয়ে ছিলেন তাঁরাও আস্তে আস্তে গা-ছাড়া মানসিকতা দেখাতে থাকে।
এ তো গেল লোকসভা নির্বাচনের পূর্ববর্তী ঘটনার কথা।পরবর্তী ঘটনার প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় বিজেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিপুল জনাদেশ। সেই জনাদেশে কংগ্রেস,এসপি, বি এস পি ও চন্দ্রবাবুর মতো দল ও ব্যক্তিত্ব খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়ে ছিল। এবার আসা যাক বাংলার কথায়। যে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ৪২ এ ৪২ এর ডাক দিয়েছিলেন সেই মুখ্যমন্ত্রী ও যেন বীর যোদ্ধার কাছে আত্মসমর্পণ করলেন। ৪২ এর মধ্যে ১৮ টা ছিনিয়ে নিয়ে গেলো বিজেপি। আর এখানেই তাঁর স্বপ্নের সলিল সমাধি ঘটল।
কিন্তু স্বপ্নের ভূত কি আর এত তাড়াতাড়ি পিছু ছাড়ে। মন্ত্রিসভা ও গঠিত হয়ে গেছে, সংসদ ও চালু হয়ে গেছে, আর সেই সংসদে এখন চলছে 'প্রধানমন্ত্রী' নিয়ে তরজা।যা স্বপ্ন দেখেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।মঙ্গলবার রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপির মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ সংসদে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী হওয়া কে নিয়ে তীব্র সমালোচনায় মুখরিত হলেন।এদিন তিনি বলেন, "আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছা উনি প্রধানমন্ত্রী হবেন। কিন্তু ৪২টা সিট জিতে কেউ প্রধানমন্ত্রী হয় না। তাই বাংলাদেশের সাথে হাত মিলিয়ে যদি প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন।"
লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস নিজের দলের নেতাদের নিয়ে প্রচারের ঝড় তুললেও এর পাশাপাশি বাংলাদেশের বিখ্যাত অভিনেতা ফেরদৌস কে নিয়েও প্রচার করেছিলেন। সেই জন্য এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে দিলীপ ঘোষ বলেন,"বাংলাদেশ থেকে অভিনেতা রোহিঙ্গারা এলে,ওরা বাইরের লোক নয়। কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের সভাপতি বাংলায় গেলেই ওনারা বাইরের লোক হয়ে যান।"
এ তো গেল লোকসভা নির্বাচনের পূর্ববর্তী ঘটনার কথা।পরবর্তী ঘটনার প্রথমেই উল্লেখ করতে হয় বিজেপির একক সংখ্যাগরিষ্ঠতায় বিপুল জনাদেশ। সেই জনাদেশে কংগ্রেস,এসপি, বি এস পি ও চন্দ্রবাবুর মতো দল ও ব্যক্তিত্ব খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়ে ছিল। এবার আসা যাক বাংলার কথায়। যে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী ৪২ এ ৪২ এর ডাক দিয়েছিলেন সেই মুখ্যমন্ত্রী ও যেন বীর যোদ্ধার কাছে আত্মসমর্পণ করলেন। ৪২ এর মধ্যে ১৮ টা ছিনিয়ে নিয়ে গেলো বিজেপি। আর এখানেই তাঁর স্বপ্নের সলিল সমাধি ঘটল।
কিন্তু স্বপ্নের ভূত কি আর এত তাড়াতাড়ি পিছু ছাড়ে। মন্ত্রিসভা ও গঠিত হয়ে গেছে, সংসদ ও চালু হয়ে গেছে, আর সেই সংসদে এখন চলছে 'প্রধানমন্ত্রী' নিয়ে তরজা।যা স্বপ্ন দেখেছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী।মঙ্গলবার রাজ্য সভাপতি তথা বিজেপির মেদিনীপুরের সাংসদ দিলীপ ঘোষ সংসদে বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী হওয়া কে নিয়ে তীব্র সমালোচনায় মুখরিত হলেন।এদিন তিনি বলেন, "আমাদের মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছা উনি প্রধানমন্ত্রী হবেন। কিন্তু ৪২টা সিট জিতে কেউ প্রধানমন্ত্রী হয় না। তাই বাংলাদেশের সাথে হাত মিলিয়ে যদি প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন।"
লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস নিজের দলের নেতাদের নিয়ে প্রচারের ঝড় তুললেও এর পাশাপাশি বাংলাদেশের বিখ্যাত অভিনেতা ফেরদৌস কে নিয়েও প্রচার করেছিলেন। সেই জন্য এদিন সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে দিলীপ ঘোষ বলেন,"বাংলাদেশ থেকে অভিনেতা রোহিঙ্গারা এলে,ওরা বাইরের লোক নয়। কিন্তু দেশের প্রধানমন্ত্রী বিরোধী দলের সভাপতি বাংলায় গেলেই ওনারা বাইরের লোক হয়ে যান।"
