বিবিপি নিউজ: এটাই মনে হয়ে চায়ের ইতিহাসে স্বর্ণরুপ। এযাবৎকালের সর্বোচ্চ মূল্য ৭০ হাজার ৫০১ টাকাত বিক্রি হয়েছে এক কেজি চা। চলতি মাসে আসামের গুয়াহাটির চা নিলাম বাজারে এক কেজি মনোহারী স্পেশালিটি চা বিক্রি হয়েছিল ৫০ হাজার টাকা মূল্যে। চলতি মাসেই সেই রেকর্ড ভেঙে দিল আসামের ডিব্রুগড় জেলায় হাতে তৈরি ‘মাইজান গোল্ডেন টিপস চা’।
মাইজান গোল্ডেন টিপস চায়ের রং কাঁচা সোনার মতো। এটি সম্পূর্ণ হাতে তৈরি, কোনো মেশিনের ব্যবহার হয়নি এতে। এই চায়ের বাগান রয়েছে আসামের শিবসাগর ও ডিব্রুগড় জেলায়। চা বিক্রি করেছিল আসাম কোম্পানি। এবার মাইজান গোল্ডেন টিপস চা উৎপাদিত হয়েছে মাত্র ২ কেজি। আর তা এক বেলজিয়ামের ক্রেতার জন্য কিনে নেয় গুয়াহাটির মুন্দ্রা টি কোম্পানি।
এর আগে গুয়াহাটিতে আসামের মনোহারী সোনালি স্পেশালিটি চা প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৫০ হাজার রুপিতে। চা-গাছের কুঁড়ি দিয়ে উৎপাদিত হয় মনোহারী চা। মে থেকে জুন মাসে ভোরবেলা কুঁড়ি তোলা হয়। অপ্রস্ফুটিত কুঁড়িগুলোকে বিশেষ পদ্ধতিতে স্প্রিং ব্লেন্ডিংয়ের মাধ্যমে এই চা তৈরি করা হয়। এই চা উৎপাদনে প্রচুর সময় ও শ্রম লাগে বলে সচরাচর তা উৎপাদন করা হয় না। মনোহারী চা-বাগানে এ বছর মনোহারী চা উৎপাদিত হয়েছে মাত্র ৫ কেজি।
মাইজান গোল্ডেন টিপস চায়ের রং কাঁচা সোনার মতো। এটি সম্পূর্ণ হাতে তৈরি, কোনো মেশিনের ব্যবহার হয়নি এতে। এই চায়ের বাগান রয়েছে আসামের শিবসাগর ও ডিব্রুগড় জেলায়। চা বিক্রি করেছিল আসাম কোম্পানি। এবার মাইজান গোল্ডেন টিপস চা উৎপাদিত হয়েছে মাত্র ২ কেজি। আর তা এক বেলজিয়ামের ক্রেতার জন্য কিনে নেয় গুয়াহাটির মুন্দ্রা টি কোম্পানি।
এর আগে গুয়াহাটিতে আসামের মনোহারী সোনালি স্পেশালিটি চা প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৫০ হাজার রুপিতে। চা-গাছের কুঁড়ি দিয়ে উৎপাদিত হয় মনোহারী চা। মে থেকে জুন মাসে ভোরবেলা কুঁড়ি তোলা হয়। অপ্রস্ফুটিত কুঁড়িগুলোকে বিশেষ পদ্ধতিতে স্প্রিং ব্লেন্ডিংয়ের মাধ্যমে এই চা তৈরি করা হয়। এই চা উৎপাদনে প্রচুর সময় ও শ্রম লাগে বলে সচরাচর তা উৎপাদন করা হয় না। মনোহারী চা-বাগানে এ বছর মনোহারী চা উৎপাদিত হয়েছে মাত্র ৫ কেজি।
