বিবিপি নিউজ, নিজস্ব সংবাদদাতা: যে কোনও মুহূর্তে, সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে ঢোকার জন্য মরিয়া বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত জঙ্গি দল। রাত পোহালেই ৭৩ত্তম স্বাধীনতা দিবস। আর এই দিনকেই বেছে নিয়েছে মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন। তবে তাদের সব পরিকল্পনা বানচাল করতে প্রস্তুত ভারতীয় বাহিনী। বেশ কিছুদিন আগে ভারতীয় গোয়েন্দাদের সূত্র জানিয়েছিলেন যে বড়সড় হামলার জন্য মদত দিচ্ছে চিরশত্রু দেশ পাকিস্তান।
এর পরেই স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর বাংলাদেশে মৌলবাদী সংগঠনের উস্কানিতে ভারত-বিরোধী মিছিল, মিটিংয়ের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। একাধিক উগ্রপন্থী সংগঠন বাংলাদেশস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টাও করে। তবে গোয়েন্দাদের সতর্কতার পরে নাকা চেকিং শুরু হয়েছে, দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায়। কোনরকম সন্দেহভাজন ব্যক্তি দেখলেই জিজ্ঞেসাবাদ শুরু করেছে।
এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসত, বসিরহাট ও বনগাঁ জেলা পুলিসকে গোয়েন্দা দপ্তর থেকে ইতিমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফ ও রাজ্য পুলিসের তরফে টহলদারি শুরু করা হয়েছে। জঙ্গি হামলার বিষয়ে হাই অ্যালার্ট জারি হওয়ার পর সীমান্তবর্তী থানা এলাকায় নাকা চেকিং, পুলিস ও বিএসএফের যৌথ অভিযান, অপরিচিত ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ সহ বিভিন্ন সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কাঁটাতারের বেড়া নেই এমন ‘অরক্ষিত’ সীমান্ত এলাকা, বিশেষত নদীপথকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির মধ্যে রাখার চেষ্টা করছেন বিএসএফ জওয়ানরা।
এর পরেই স্বাধীনতা দিবসের প্রাক্কালে দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। গোয়েন্দা সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর বাংলাদেশে মৌলবাদী সংগঠনের উস্কানিতে ভারত-বিরোধী মিছিল, মিটিংয়ের সংখ্যা বেড়ে গিয়েছে। একাধিক উগ্রপন্থী সংগঠন বাংলাদেশস্থিত ভারতীয় হাইকমিশনের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টাও করে। তবে গোয়েন্দাদের সতর্কতার পরে নাকা চেকিং শুরু হয়েছে, দেশের সীমান্তবর্তী এলাকায়। কোনরকম সন্দেহভাজন ব্যক্তি দেখলেই জিজ্ঞেসাবাদ শুরু করেছে।
এছাড়াও পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসত, বসিরহাট ও বনগাঁ জেলা পুলিসকে গোয়েন্দা দপ্তর থেকে ইতিমধ্যে সতর্ক করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকায় বিএসএফ ও রাজ্য পুলিসের তরফে টহলদারি শুরু করা হয়েছে। জঙ্গি হামলার বিষয়ে হাই অ্যালার্ট জারি হওয়ার পর সীমান্তবর্তী থানা এলাকায় নাকা চেকিং, পুলিস ও বিএসএফের যৌথ অভিযান, অপরিচিত ও সন্দেহভাজন ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ সহ বিভিন্ন সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। কাঁটাতারের বেড়া নেই এমন ‘অরক্ষিত’ সীমান্ত এলাকা, বিশেষত নদীপথকে ২৪ ঘণ্টা নজরদারির মধ্যে রাখার চেষ্টা করছেন বিএসএফ জওয়ানরা।
