বিবিপি নিউজ,নিজস্ব প্রতিবেদন: গ্রীষ্মকালে এমনিই রক্ত সংকট থাকে প্রতিবার।ফলে বিভিন্ন ক্লাব এবং সংগঠনের তৈরি রক্তদান শিবির গুলিকে উৎসাহ দিয়ে সেখান থেকে রক্ত সংগ্রহ করা হতো।সরকার যখন জমায়েত নিষেধ করেছে তখন সমস্ত রক্ত দান শিবিরগুলি বন্ধ করে দিচ্ছেন উদ্যোক্তারা।যার জেরে ইতিমধ্যেই সরকারি ও বেসরকারি ব্লাড ব্যাংক গুলিতে কমতে শুরু করেছে মজুত করা ইউনিট পরিমান রক্ত।ফলে দেখা দিতে পারে রক্ত সংকট।ফল স্বরূপ আটকে যেতে পারে ক্রিটিকাল অপারেশন এবং বিপদে পড়তে পারেন গর্ভবতী মহিলারা এমনই মনে করছেন রাজ্যের চিকিৎসক মহল।
সূত্রের খবর পশ্চিমবঙ্গে মোট ৬৪ টি সরকারি এবং বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাংক আছে,যেগুলি অবিরাম রাজ্যের মানুষকে বিনামূল্যে রক্তের যোগান দিয়ে যায় এমনকি কখনো বিপদজনক পরিস্থিতিতে রক্তের যোগান দেন তারা।কিন্তু সেই যোগান এবার প্রায় বন্ধ হতে চলেছে বলে দাবী তাদের।স্বাস্থ্য দফতরের এক অধিকর্তা জানান ব্লাড ব্যাংকের অধিকাংশ রক্তের যোগান হত বিভিন্ন রক্তদান শিবির এবং রুগীর পরিজন দের দেওয়া ডিরেক্ট পদ্ধতিতে।কিন্তু করোনা আতঙ্কে সে যোগান এখন প্রায় বন্ধ।
বিভিন্ন হাসপাতাল কতৃপক্ষ এবং চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন বর্তমানে যে পরিমানে রক্ত মজুত আছে সে পরিমান রক্তে দিন পাঁচেক চললেও পরে সামাল দেওয়া যাবে না।পরিস্থিতি মোকাবিলায় টাটা মেডিকেল ক্যানসার কতৃপক্ষের দাবী আশে পাশে বহু তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা থাকায় প্রতিদিন অনেক কর্মী রক্ত দান করতে আসতো, কিন্তু তাদেরও ওয়ার্ক ফ্রম হোম হয়ে যাওয়ায় সে সংখ্যা একেবারে শুন্য।কিন্তু তাদের দাবি যদি কোনো রুগীর রক্তের ভীষণ প্রয়োজন হয়,হাসপাতাল কর্মীরা রক্ত দিয়ে তাকে বাঁচাবো।এছাড়া বারাসত ক্যান্সার রিসার্চ এর তরফে ডা গৌতম বসু জানান বর্তমানে রক্তের যোগান বন্ধ থাকলেও ডিরেক্ট পদ্ধতিতে রুগীর পরিজনের থেকে রক্ত নিয়ে রুগীকে রক্ত সরবরাহ করা হচ্ছে।তিনি আরও জানান যে "পরিস্থিতি এমন থাকলে আটকে যেতে পারে বহু ক্রিটিকাল ক্যান্সার অপারেশন"।
তথ্যের খবর পশ্চিমবঙ্গে এখনো অবধি দুজন করোনা আক্রান্ত,এক আমলা পুত্র,এবং দুই বিদেশ ফেরত প্রবাসী।গোটা রাজ্য যখন করোনা মোকাবিলায় ব্যস্ত তখন রক্ত শুন্যতার এমন চিত্রে চিন্তায় রাজ্যের প্রধান এবং জেলা স্তরের হাসপাতাল গুলিও।বারাসত জেলা হাসপাতাল সুপার সুব্রত মন্ডল বলেন "এখনো দিন সাতেক নির্বিগ্নে রক্ত পরিষেবা দিতে পারব,ইতিমধ্যেই একটি রক্ত দান শিবির আয়োজন করেছি,চেষ্টায় আছি যাতে রক্ত সংকট না ঘটে"।ওদিকে রাজ্যের এক মুখ্য হাসপাতাল "মেডিকেল কলেজ কতৃপক্ষ জানান পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত নেই ওদিকে যোগানও বন্ধ,এমন পরিস্থিতিতে রক্ত না পেলে সমস্যা হতে পারে গর্ভবতী মহিলাদের।
যদিও রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী জানান করোনা মোকাবিলায় সত্যিই বন্ধ হয়েছে রক্ত দান শিবির গুলি,রক্তের সংকট যাতে এড়ানো যায় সেটার দিকে নজর রাখার চেষ্টা করছি।প্রয়োজনে হাসপাতাল গুলিতে আলাদা ভাবে রক্ত দান শিবির করে রক্তের জোগাড় করা হবে।
সূত্রের খবর পশ্চিমবঙ্গে মোট ৬৪ টি সরকারি এবং বেশ কয়েকটি বেসরকারি ব্লাড ব্যাংক আছে,যেগুলি অবিরাম রাজ্যের মানুষকে বিনামূল্যে রক্তের যোগান দিয়ে যায় এমনকি কখনো বিপদজনক পরিস্থিতিতে রক্তের যোগান দেন তারা।কিন্তু সেই যোগান এবার প্রায় বন্ধ হতে চলেছে বলে দাবী তাদের।স্বাস্থ্য দফতরের এক অধিকর্তা জানান ব্লাড ব্যাংকের অধিকাংশ রক্তের যোগান হত বিভিন্ন রক্তদান শিবির এবং রুগীর পরিজন দের দেওয়া ডিরেক্ট পদ্ধতিতে।কিন্তু করোনা আতঙ্কে সে যোগান এখন প্রায় বন্ধ।
বিভিন্ন হাসপাতাল কতৃপক্ষ এবং চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন বর্তমানে যে পরিমানে রক্ত মজুত আছে সে পরিমান রক্তে দিন পাঁচেক চললেও পরে সামাল দেওয়া যাবে না।পরিস্থিতি মোকাবিলায় টাটা মেডিকেল ক্যানসার কতৃপক্ষের দাবী আশে পাশে বহু তথ্য প্রযুক্তি সংস্থা থাকায় প্রতিদিন অনেক কর্মী রক্ত দান করতে আসতো, কিন্তু তাদেরও ওয়ার্ক ফ্রম হোম হয়ে যাওয়ায় সে সংখ্যা একেবারে শুন্য।কিন্তু তাদের দাবি যদি কোনো রুগীর রক্তের ভীষণ প্রয়োজন হয়,হাসপাতাল কর্মীরা রক্ত দিয়ে তাকে বাঁচাবো।এছাড়া বারাসত ক্যান্সার রিসার্চ এর তরফে ডা গৌতম বসু জানান বর্তমানে রক্তের যোগান বন্ধ থাকলেও ডিরেক্ট পদ্ধতিতে রুগীর পরিজনের থেকে রক্ত নিয়ে রুগীকে রক্ত সরবরাহ করা হচ্ছে।তিনি আরও জানান যে "পরিস্থিতি এমন থাকলে আটকে যেতে পারে বহু ক্রিটিকাল ক্যান্সার অপারেশন"।
তথ্যের খবর পশ্চিমবঙ্গে এখনো অবধি দুজন করোনা আক্রান্ত,এক আমলা পুত্র,এবং দুই বিদেশ ফেরত প্রবাসী।গোটা রাজ্য যখন করোনা মোকাবিলায় ব্যস্ত তখন রক্ত শুন্যতার এমন চিত্রে চিন্তায় রাজ্যের প্রধান এবং জেলা স্তরের হাসপাতাল গুলিও।বারাসত জেলা হাসপাতাল সুপার সুব্রত মন্ডল বলেন "এখনো দিন সাতেক নির্বিগ্নে রক্ত পরিষেবা দিতে পারব,ইতিমধ্যেই একটি রক্ত দান শিবির আয়োজন করেছি,চেষ্টায় আছি যাতে রক্ত সংকট না ঘটে"।ওদিকে রাজ্যের এক মুখ্য হাসপাতাল "মেডিকেল কলেজ কতৃপক্ষ জানান পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত নেই ওদিকে যোগানও বন্ধ,এমন পরিস্থিতিতে রক্ত না পেলে সমস্যা হতে পারে গর্ভবতী মহিলাদের।
যদিও রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী জানান করোনা মোকাবিলায় সত্যিই বন্ধ হয়েছে রক্ত দান শিবির গুলি,রক্তের সংকট যাতে এড়ানো যায় সেটার দিকে নজর রাখার চেষ্টা করছি।প্রয়োজনে হাসপাতাল গুলিতে আলাদা ভাবে রক্ত দান শিবির করে রক্তের জোগাড় করা হবে।
