বিবিপি নিউজ,কলকাতা: করোনারি থাবায় ভারতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আক্রান্ত হয়েছেন ৯১ জন। ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে মিটিং, মিছিল বাতিল করেছেন কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যেই একাধিক রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছুটি ঘোষণা করেছে। আর এরই মাঝে রাজ্যের আসন্ন পুরভোট নিয়ে সংশয় দেখা দিয়েছে। যে অবস্থা দাঁড়িয়েছে, তাতে এপ্রিল মাসে ভোট নাও হতে পারে। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশিকা অনুসারে কোনও ধরনের জমায়েত করা যাবে না। সেই কারণেই পুরভোট পিছিয়ে যেতে পারে বলে অনুমান করছে অভিজ্ঞমহল। সেই সঙ্গে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের তরফে ভোট পিছিয়ে দেওয়ার দাবি উঠতে চলেছে।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, আমরা ভোটের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু রাজ্য সরকার ভোট পিছিয়ে দিলে, জনস্বার্থে তার বিরোধিতা করব না। তবে এই সিদ্ধান্ত কমিশন এবং নবান্নকে নিতে হবে। সিপিএম নেতা তথা শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্য বলেন, করোনা মোকাবিলা এখন আমাদের অগ্রাধিকারের বিষয়। কিন্তু করোনার ছুতো দেখিয়ে যেন অনির্দিষ্টকালের জন্য ভোট বন্ধ করে না দেওয়া হয়। অবশ্য তৃণমূল জানিয়েছে, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে সবাই। আশা করছি রাজ্য নির্বাচন কমিশন সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।পুরভোটের প্রস্তুতি নিয়ে সোমবার বেলা ৩ টা নাগাদ সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস। সেখানে তিনি পুরভোটের জন্য কী ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন, তা তুলে ধরবেন। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দলের মতামতও গ্রহণ করবেন।
বিজেপি রাজ্য সভাপতি তথা সাংসদ দিলীপ ঘোষের বক্তব্য, আমরা ভোটের জন্য প্রস্তুত। কিন্তু রাজ্য সরকার ভোট পিছিয়ে দিলে, জনস্বার্থে তার বিরোধিতা করব না। তবে এই সিদ্ধান্ত কমিশন এবং নবান্নকে নিতে হবে। সিপিএম নেতা তথা শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্য বলেন, করোনা মোকাবিলা এখন আমাদের অগ্রাধিকারের বিষয়। কিন্তু করোনার ছুতো দেখিয়ে যেন অনির্দিষ্টকালের জন্য ভোট বন্ধ করে না দেওয়া হয়। অবশ্য তৃণমূল জানিয়েছে, পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে সবাই। আশা করছি রাজ্য নির্বাচন কমিশন সঠিক সিদ্ধান্ত নেবে।পুরভোটের প্রস্তুতি নিয়ে সোমবার বেলা ৩ টা নাগাদ সর্বদলীয় বৈঠক ডেকেছেন রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাস। সেখানে তিনি পুরভোটের জন্য কী ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছেন, তা তুলে ধরবেন। সেই সঙ্গে রাজনৈতিক দলের মতামতও গ্রহণ করবেন।
