বিবিপি নিউজ: সম্প্রতি সংসদে কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রী পীযূষ গয়াল একটি প্রশ্নের জবাবে লিখিত অভিযোগে জানিয়েছেন দূরপাল্লার ট্রেনে ডাকাতি বিগত কয়েক বছরের তুলনায় বেড়েছে। রেল মন্ত্রীর এহেন উত্তরের তবে কি যাত্রীদের সুরক্ষা দিতে ব্যার্থ রেল? এমনটাই প্রশ্ন তুলেছেন যাত্রীদের একাংশ।
জিআরপির তথ্য অনুসারে ২০১৯ সালে চলন্ত ট্রেনে বিভিন্ন অপরাধের জোন ভিত্তিক হিসেব লোকসভায় পেশ করেছেন রেলমন্ত্রী। তাতে দেখা যাচ্ছে, শুধুমাত্র এক বছরেই চলন্ত ট্রেনে যাত্রীদের জিনিসপত্র চুরি হয়ে যাওয়ার মোট ২০ হাজার ৯২৬টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। ২০১৯ সালে চলন্ত ট্রেনে মহিলাদের শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে ১৭২টি। ডাকাতি হয়েছে ১১টি। যাত্রীদের মাদকাচ্ছন্ন করে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে ১২৫টি ক্ষেত্রে। এবং ২০১৯ সালে চলন্ত ট্রেনে লুটপাটের মোট ৩২৩টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। উল্লিখিত সময়ে ট্রেনে মহিলাদের শ্লীলতাহানির ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে মধ্য রেলে।
রেলমন্ত্রী সমস্যার পাশাপাশি ওই লিখিত জবাবে সমাধানের কথাও জানিয়েছেন।যাত্রীদের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে রেলমন্ত্রকের পক্ষ থেকে ‘সুরক্ষার ইস্যু রয়েছে, এমন কিছু বাছাই করা রুট এবং সেকশনের প্রায় ২ হাজার ২০০টি ট্রেনে প্রতিদিন আরপিএফ এসকর্ট থাকে। সেইসঙ্গে ২ হাজার ২০০টি ট্রেনে জিআরপি এসকর্ট দেওয়া হয় প্রতিদিন। ইন্টিগ্রেটেড সিকিউরিটি সিস্টেমে ২০২টিরও বেশি রেলওয়ে স্টেশনে সিসিটিভি এবং অন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ২ হাজার ১৩৬টি কোচে এবং ৫২২টি স্টেশনে সিসিটিভি বসানো হয়েছে।
জিআরপির তথ্য অনুসারে ২০১৯ সালে চলন্ত ট্রেনে বিভিন্ন অপরাধের জোন ভিত্তিক হিসেব লোকসভায় পেশ করেছেন রেলমন্ত্রী। তাতে দেখা যাচ্ছে, শুধুমাত্র এক বছরেই চলন্ত ট্রেনে যাত্রীদের জিনিসপত্র চুরি হয়ে যাওয়ার মোট ২০ হাজার ৯২৬টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। ২০১৯ সালে চলন্ত ট্রেনে মহিলাদের শ্লীলতাহানির ঘটনা ঘটেছে ১৭২টি। ডাকাতি হয়েছে ১১টি। যাত্রীদের মাদকাচ্ছন্ন করে বিভিন্ন অপরাধ সংঘটিত হয়েছে ১২৫টি ক্ষেত্রে। এবং ২০১৯ সালে চলন্ত ট্রেনে লুটপাটের মোট ৩২৩টি ঘটনা নথিভুক্ত হয়েছে। উল্লিখিত সময়ে ট্রেনে মহিলাদের শ্লীলতাহানির ঘটনা সবচেয়ে বেশি ঘটেছে মধ্য রেলে।
রেলমন্ত্রী সমস্যার পাশাপাশি ওই লিখিত জবাবে সমাধানের কথাও জানিয়েছেন।যাত্রীদের সুরক্ষার বিষয়টি নিশ্চিত করতে রেলমন্ত্রকের পক্ষ থেকে ‘সুরক্ষার ইস্যু রয়েছে, এমন কিছু বাছাই করা রুট এবং সেকশনের প্রায় ২ হাজার ২০০টি ট্রেনে প্রতিদিন আরপিএফ এসকর্ট থাকে। সেইসঙ্গে ২ হাজার ২০০টি ট্রেনে জিআরপি এসকর্ট দেওয়া হয় প্রতিদিন। ইন্টিগ্রেটেড সিকিউরিটি সিস্টেমে ২০২টিরও বেশি রেলওয়ে স্টেশনে সিসিটিভি এবং অন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। ২০২০ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ২ হাজার ১৩৬টি কোচে এবং ৫২২টি স্টেশনে সিসিটিভি বসানো হয়েছে।
