বিবিপি নিউজ: গোটা দেশ জুড়ে ২১ দিনের লকডাউন ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। এর জেরে স্তব্ধ দেশ। জরুরি পরিস্থিতিতে মোকাবিলা করতে ও কোনোরকম সমস্যা দেখা দিলে তা সমাধান করতে প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষের জন্য হেল্পলাইন পরিষেবা চালু করেছে প্রত্যেক রাজ্যের সরকার।
কিন্তু সেই জরুরি হেল্পলাইন এক ব্যাক্তির আবদার শুনে হতবাক পরিষেবারত কর্মীরা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশে। করোনায় লকডাউন পরিস্থিতিতে, ঘরবন্দী অবস্থায় উত্তর প্রদেশ সরকারের জরুরি হেল্পলাইনে ফোন করে সিঙাড়ার আবদার করলেন। ফোনের সূত্র ধরে উত্তর প্রদেশ পুলিশ জানিয়েছেন। ওই ব্যক্তির বাড়ি রামপুরা এলাকায়। এরপরেই পুলিশ ওই ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে শাস্তি হিসেবে এলাকার ড্রেনগুলি পরিষ্কার করার সাজা দিয়েছেন।
উত্তরপ্রদেশের পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতোই করোনা সম্পর্কে নানা কল আসছিল হেল্পলাইনে। সাধারণ মানুষের সমস্যা শুনে নানারকম তথ্য দিচ্ছিলেন কর্মীরা। কিন্তু এর মাঝেই গরম সিঙাড়া চেয়ে হেল্পলাইনে ফোন করেন রামপুরের এক ব্যক্তি । একবার নয়, দু বার নয়, বেশ কয়েকবার ফোন করেন তিনি। তাঁর ফোনের জেরে রীতিমতো বিরক্ত হয়ে ওঠেন হেল্পলাইন পরিষেবার কর্মীরা । শেষমেশ ওই ব্যক্তিকে শাস্তি দিতে ফন্দি আঁটেন জেলাশাসক । সিদ্ধান্ত হয় সিঙাড়া দেওয়া হবে ওই ব্যক্তিকে । তার বদলে এলাকার সমস্ত ড্রেন সাফ করানো হবে তাঁকে দিয়ে। এর পরেই ফোনের কথামত বাড়ির দরজায় পৌঁছে গিয়েছে গরম সিঙাড়া। কিন্তু তার পিছনেই দাঁড়িয়ে জেলা প্রশাসনের কর্তারা। গরম সিঙাড়া খেয়েছে। কিন্তু ড্রেন পরিষ্কার করতে চাননি । শেষমেশ প্রশাসনিক কর্মীদের নজরদারিতে খানিকটা বাধ্য হয়েই পরিষ্কার করতে হয় এলাকার সমস্ত ড্রেন ।
কিন্তু সেই জরুরি হেল্পলাইন এক ব্যাক্তির আবদার শুনে হতবাক পরিষেবারত কর্মীরা। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর প্রদেশে। করোনায় লকডাউন পরিস্থিতিতে, ঘরবন্দী অবস্থায় উত্তর প্রদেশ সরকারের জরুরি হেল্পলাইনে ফোন করে সিঙাড়ার আবদার করলেন। ফোনের সূত্র ধরে উত্তর প্রদেশ পুলিশ জানিয়েছেন। ওই ব্যক্তির বাড়ি রামপুরা এলাকায়। এরপরেই পুলিশ ওই ব্যক্তিকে চিহ্নিত করে শাস্তি হিসেবে এলাকার ড্রেনগুলি পরিষ্কার করার সাজা দিয়েছেন।
উত্তরপ্রদেশের পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের মতোই করোনা সম্পর্কে নানা কল আসছিল হেল্পলাইনে। সাধারণ মানুষের সমস্যা শুনে নানারকম তথ্য দিচ্ছিলেন কর্মীরা। কিন্তু এর মাঝেই গরম সিঙাড়া চেয়ে হেল্পলাইনে ফোন করেন রামপুরের এক ব্যক্তি । একবার নয়, দু বার নয়, বেশ কয়েকবার ফোন করেন তিনি। তাঁর ফোনের জেরে রীতিমতো বিরক্ত হয়ে ওঠেন হেল্পলাইন পরিষেবার কর্মীরা । শেষমেশ ওই ব্যক্তিকে শাস্তি দিতে ফন্দি আঁটেন জেলাশাসক । সিদ্ধান্ত হয় সিঙাড়া দেওয়া হবে ওই ব্যক্তিকে । তার বদলে এলাকার সমস্ত ড্রেন সাফ করানো হবে তাঁকে দিয়ে। এর পরেই ফোনের কথামত বাড়ির দরজায় পৌঁছে গিয়েছে গরম সিঙাড়া। কিন্তু তার পিছনেই দাঁড়িয়ে জেলা প্রশাসনের কর্তারা। গরম সিঙাড়া খেয়েছে। কিন্তু ড্রেন পরিষ্কার করতে চাননি । শেষমেশ প্রশাসনিক কর্মীদের নজরদারিতে খানিকটা বাধ্য হয়েই পরিষ্কার করতে হয় এলাকার সমস্ত ড্রেন ।
