বিবিপি নিউজ: গোটা দেশে দ্বিতীয় পর্যায়ে লকডাউন চলছে। বন্ধ রয়েছে সবকিছু। ফলে কয়েদিন আগেই পড়ুয়াদের স্বার্থে তাদের ভবিষ্যৎ-এর কথা মাথায় রেখে অনলাইনে ক্লাস শুরু করছেন। তবে ছাত্রছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে ক্লাস নিতে গাছে উঠলেন শিক্ষক। একথা শুনে একটা প্রশ্ন উঠতে পারে যে ক্লাস নিতে গাছেই বা উঠবেন কেন?
কারন গাছে না উঠলে মিলবে না ফোনের নেটওয়ার্ক। কথায় আছে প্রতিকূলতাই সবথেকে বড় শিক্ষক, কিন্তু প্রতিকূলতাকে জয় করে শিক্ষাদান চালিয়ে যাওয়া, পারেন ক’জন ! ঘটনাটি বাঁকুড়ার ইন্দপুরের অন্তর্গত একটি প্রান্তিক গ্রাম আহন্দা। যেখানে ফোর-জি পরিষেবা তো দূরের কথা। ঠিকমতো নেটওয়ার্ক-ই মেলা দুষ্কর বাড়িতে। সেই গ্রামেই বাস করেন কলকাতার এক বেসরকারি কলেজর শিক্ষক সুব্রত পতি।
বাড়ির পাশে একটি উঁচু গাছে বাশ দিয়ে মাচা বেঁধেছে। কারন ওই গাছের মাথায় তৈরি মাচায় উঠলে মেলে মোবাইলের ফোর-জি নেটওয়ার্ক পরিষেবা। মাচা দেখলে অনেকটা জঙ্গলের ওয়াচ টাওয়ার মনে হবে। প্রতিদিন নিদ্দিষ্ট সময়ে তাতে উঠে পড়ছেন সঙ্গে খাবার ও জল।
গাছের উপরে মাচায় উঠে যুবক মোবাইল খুলতেই, ওপার থেকে প্রতীক্ষারত ছাত্র-ছাত্রীদের সুপ্রভাত জানিয়ে চলছে ক্লাস। বছর ৩৫ এর সুব্রত বাবু করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনে গ্রামের বাড়িতে আটকে পড়েছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ তো কি হয়েছে? পড়ুয়ারা কেন অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত হবেন !! ছাত্রছাত্রীদের বঞ্চিত করতে চাননা সুব্রত, তাই নিয়ম করে উঠে আসেন গাছের উপরের দিকে বস্তা, খড়, বাঁশের তৈরি মাচায়। ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে চলে ক্লাস। “পড়ুয়াদের রেসপন্স ভালোই”-জানিয়েছেন সুব্রত। হাসিমুখে ক্লাস চলছে সুব্রত স্যারের মতো আরো অনেক শিক্ষকের।
সূত্র: আকাশবাণী কলকাতা
কারন গাছে না উঠলে মিলবে না ফোনের নেটওয়ার্ক। কথায় আছে প্রতিকূলতাই সবথেকে বড় শিক্ষক, কিন্তু প্রতিকূলতাকে জয় করে শিক্ষাদান চালিয়ে যাওয়া, পারেন ক’জন ! ঘটনাটি বাঁকুড়ার ইন্দপুরের অন্তর্গত একটি প্রান্তিক গ্রাম আহন্দা। যেখানে ফোর-জি পরিষেবা তো দূরের কথা। ঠিকমতো নেটওয়ার্ক-ই মেলা দুষ্কর বাড়িতে। সেই গ্রামেই বাস করেন কলকাতার এক বেসরকারি কলেজর শিক্ষক সুব্রত পতি।
বাড়ির পাশে একটি উঁচু গাছে বাশ দিয়ে মাচা বেঁধেছে। কারন ওই গাছের মাথায় তৈরি মাচায় উঠলে মেলে মোবাইলের ফোর-জি নেটওয়ার্ক পরিষেবা। মাচা দেখলে অনেকটা জঙ্গলের ওয়াচ টাওয়ার মনে হবে। প্রতিদিন নিদ্দিষ্ট সময়ে তাতে উঠে পড়ছেন সঙ্গে খাবার ও জল।
গাছের উপরে মাচায় উঠে যুবক মোবাইল খুলতেই, ওপার থেকে প্রতীক্ষারত ছাত্র-ছাত্রীদের সুপ্রভাত জানিয়ে চলছে ক্লাস। বছর ৩৫ এর সুব্রত বাবু করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনে গ্রামের বাড়িতে আটকে পড়েছেন। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ তো কি হয়েছে? পড়ুয়ারা কেন অনলাইন ক্লাস থেকে বঞ্চিত হবেন !! ছাত্রছাত্রীদের বঞ্চিত করতে চাননা সুব্রত, তাই নিয়ম করে উঠে আসেন গাছের উপরের দিকে বস্তা, খড়, বাঁশের তৈরি মাচায়। ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে চলে ক্লাস। “পড়ুয়াদের রেসপন্স ভালোই”-জানিয়েছেন সুব্রত। হাসিমুখে ক্লাস চলছে সুব্রত স্যারের মতো আরো অনেক শিক্ষকের।
সূত্র: আকাশবাণী কলকাতা
