বিবিপি নিউজ: করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সোমবার সকালে কলকাতায় পৌঁছয় ৬ সদস্যের ২টি কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে প্রতিনিধি দল নিয়ে ট্যুইট করে কোনো সদুত্তর না পেয়ে কি পরিদর্শনে বেরনোর অনুমতি দিলেন না রাজ্য সরকার? রাজ্যের অনুমতি না নিয়ে প্রতিনিধিদল পাঠানোর সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোর পরিপন্থী বলে প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি দেন তিনি। এনিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কেন্দ্র ও রাজ্য সংঘাতের মধ্যেই প্রতিনিধিদলের রাজ্য সফর নিয়ে মুখ খুললেন দলের প্রধান অপূর্ব চন্দ্র। মঙ্গলবার সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর কাছে তিনি জানান, আমরা রাজ্য সরকারকে সাহায্য করতে এখানে এসেছি। কিন্তু রাজ্য সরকার আমাদের এলাকা পরিদর্শনে বেরনোর অনুমতি দিচ্ছে না। অপূর্ববাবু আরও বলেন, ‘কেন্দ্রের যে অর্ডার অনুসারে আমরা এখানে এসেছি তাতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, রাজ্যকে আমাদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে।
কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের দলে রয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা অ্যাকাডেমির বিশেষজ্ঞ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের আধিকারিক। COVID 19 মোকাবিলায় আমরা রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে পারতাম। তাছাড়া পরিস্থিতির দিকেও নজর রাখতে পারতাম।‘
রাজ্যকে অন্ধকারে রেখে দল পাঠানোর অভিযোগ খারিজ করে তিনি বলেন, ‘গতকাল কলকাতায় পৌঁছনোর পর থেকে আমি মুখ্যসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছি। করোনা কবলিত এলাকাগুলি পরিদর্শনের জন্য আমরা রাজ্য সরকারের সাহায্য চেয়েছি। গতকাল সন্ধ্যায় নবান্নে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছি। আমাদের জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবারও আমরা বৈঠক করব। তার পর আমাদের পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।‘ এর পরই হতাশা ঝরে পড়ে অপূর্ববাবুর গলায়। তিনি বলেন, ‘আজ জানানো হয় কিছু সমস্যা রয়েছে, তাই আজ আমাদের বেরনো হচ্ছে না। রাজ্যকে স্পষ্ট করে জানিয়েছি যে রাজ্যের আধিকারিক সঙ্গে না থাকলে আমরা পরিদর্শনে যাব না। কারণ রাজ্য সরকার সঙ্গে না থাকলে আমাদের কাজের কোনও কার্যকারিতা নেই।‘ তবে এখন দেখার কি হয়!
কেন্দ্র ও রাজ্য সংঘাতের মধ্যেই প্রতিনিধিদলের রাজ্য সফর নিয়ে মুখ খুললেন দলের প্রধান অপূর্ব চন্দ্র। মঙ্গলবার সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর কাছে তিনি জানান, আমরা রাজ্য সরকারকে সাহায্য করতে এখানে এসেছি। কিন্তু রাজ্য সরকার আমাদের এলাকা পরিদর্শনে বেরনোর অনুমতি দিচ্ছে না। অপূর্ববাবু আরও বলেন, ‘কেন্দ্রের যে অর্ডার অনুসারে আমরা এখানে এসেছি তাতে স্পষ্ট উল্লেখ রয়েছে, রাজ্যকে আমাদের জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করতে হবে।
কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিদের দলে রয়েছে জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা অ্যাকাডেমির বিশেষজ্ঞ, জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ, ক্রেতা সুরক্ষা দফতরের আধিকারিক। COVID 19 মোকাবিলায় আমরা রাজ্য সরকারকে প্রয়োজনীয় সাহায্য করতে পারতাম। তাছাড়া পরিস্থিতির দিকেও নজর রাখতে পারতাম।‘
রাজ্যকে অন্ধকারে রেখে দল পাঠানোর অভিযোগ খারিজ করে তিনি বলেন, ‘গতকাল কলকাতায় পৌঁছনোর পর থেকে আমি মুখ্যসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছি। করোনা কবলিত এলাকাগুলি পরিদর্শনের জন্য আমরা রাজ্য সরকারের সাহায্য চেয়েছি। গতকাল সন্ধ্যায় নবান্নে মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছি। আমাদের জানানো হয়েছিল, মঙ্গলবারও আমরা বৈঠক করব। তার পর আমাদের পরিদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।‘ এর পরই হতাশা ঝরে পড়ে অপূর্ববাবুর গলায়। তিনি বলেন, ‘আজ জানানো হয় কিছু সমস্যা রয়েছে, তাই আজ আমাদের বেরনো হচ্ছে না। রাজ্যকে স্পষ্ট করে জানিয়েছি যে রাজ্যের আধিকারিক সঙ্গে না থাকলে আমরা পরিদর্শনে যাব না। কারণ রাজ্য সরকার সঙ্গে না থাকলে আমাদের কাজের কোনও কার্যকারিতা নেই।‘ তবে এখন দেখার কি হয়!
