বিবিপি নিউজ: লকডাউনে মদের আকাল। আর এরই মধ্যে একদল চোর চমকে দিল পুলিশকে। রীতিমতো সিঁধ কেটে মদ চুরি। হাতেনাতে ধরা পড়েছে চোর। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে দোকানের পিছনের দেওয়ালে গর্ত খুঁড়ে দেদার মদ চুরি করলেন একদল যুবক।
ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার ঘটনাটি বড়বাজার থানা এলাকার আর্মেনিয়াম স্ট্রিটে। জানা গেছে কয়েকদিন আগে দোকান মালিকের দোকানের পিছনে একটা
গর্ত দেখেই সন্দেহ হয়েছিল। এরপরেই দোকান খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ। দোকান থেকে খোয়া গিয়েছে বেশ কিছু মদের বোতল। তবে সবগুলো নিয়ে যেতে পারেনি। ধাপে ধাপে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল এই লকডাউনের আকাল বাজারে। তবে পুলিশের জালে গ্রেফতার সকলেই। পুলিশ সূত্রে খবর মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের বয়স বছর ২৫-৩০ এর আশপাশে। ধৃতদের বাড়ি বড়বাজার ও জোড়াসাঁকোর বিভিন্ন জায়গায়। তাদের জেরা করে বেশ কয়েকটি চুরি যাওয়া মদের বোতল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, আর্মেনিয়াম স্ট্রিটের একটি মদের দোকানের মালিক দিন দুয়েক আগে দেখেন, দোকানের পিছনের দেওয়ালে একটা ছোট গর্ত। সেখান দিয়ে কোনও মতে মানুষ গলে যেতে পারে। সন্দেহ হওয়ায় দোকান খুলে তিনি দেখেন, সেই গর্ত দিয়ে দোকানের ভিতর পর্যন্ত ঢোকা যাচ্ছে। এমনকী সেই গর্ত দিয়েই সরানো হয়েছে বেশ কয়েকটি মদের বোতল। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিষয়টি জানান বড়বাজার থানায়। তবে তদন্তকারীরা দোকান মালিককে তখনই গর্ত বুজিয়ে দিতে নিষেধ করেন। কারণ, তদন্তকারীরা নিশ্চিত ছিলেন, চোরের কাজ শেষ হয়নি। বাকি বোতলও সে নিতে ঠিকই আসবে। গর্ত বুজিয়ে দিলে সতর্ক হয়ে যাবে চোর। তাই বিষয়টি যে দোকান মালিক বা পুলিশের নজরেই আসেনি, এরপরেই চলে সিম্পল ড্রেসে নজরদারি। শনিবার রাতে ফের চোর ওই গর্ত দিয়ে মদের বোতল বের করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে। দু'জনকে প্রথমে পাকড়াও করে তাদের সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করা হয় অন্যদের। পুলিশ জানতে পেরেছে, লকডাউনে মদের আকালের মধ্যে বেশি দামে বাইরে মদ বিক্রির চেষ্টা করছিল ওই যুবকরা।
ঘটনাটি ঘটেছে কলকাতার ঘটনাটি বড়বাজার থানা এলাকার আর্মেনিয়াম স্ট্রিটে। জানা গেছে কয়েকদিন আগে দোকান মালিকের দোকানের পিছনে একটা
গর্ত দেখেই সন্দেহ হয়েছিল। এরপরেই দোকান খুলতেই চক্ষু চড়কগাছ। দোকান থেকে খোয়া গিয়েছে বেশ কিছু মদের বোতল। তবে সবগুলো নিয়ে যেতে পারেনি। ধাপে ধাপে নেওয়ার চেষ্টা করেছিল এই লকডাউনের আকাল বাজারে। তবে পুলিশের জালে গ্রেফতার সকলেই। পুলিশ সূত্রে খবর মোট ৫ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদের বয়স বছর ২৫-৩০ এর আশপাশে। ধৃতদের বাড়ি বড়বাজার ও জোড়াসাঁকোর বিভিন্ন জায়গায়। তাদের জেরা করে বেশ কয়েকটি চুরি যাওয়া মদের বোতল উদ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ জানিয়েছে, আর্মেনিয়াম স্ট্রিটের একটি মদের দোকানের মালিক দিন দুয়েক আগে দেখেন, দোকানের পিছনের দেওয়ালে একটা ছোট গর্ত। সেখান দিয়ে কোনও মতে মানুষ গলে যেতে পারে। সন্দেহ হওয়ায় দোকান খুলে তিনি দেখেন, সেই গর্ত দিয়ে দোকানের ভিতর পর্যন্ত ঢোকা যাচ্ছে। এমনকী সেই গর্ত দিয়েই সরানো হয়েছে বেশ কয়েকটি মদের বোতল। সঙ্গে সঙ্গে তিনি বিষয়টি জানান বড়বাজার থানায়। তবে তদন্তকারীরা দোকান মালিককে তখনই গর্ত বুজিয়ে দিতে নিষেধ করেন। কারণ, তদন্তকারীরা নিশ্চিত ছিলেন, চোরের কাজ শেষ হয়নি। বাকি বোতলও সে নিতে ঠিকই আসবে। গর্ত বুজিয়ে দিলে সতর্ক হয়ে যাবে চোর। তাই বিষয়টি যে দোকান মালিক বা পুলিশের নজরেই আসেনি, এরপরেই চলে সিম্পল ড্রেসে নজরদারি। শনিবার রাতে ফের চোর ওই গর্ত দিয়ে মদের বোতল বের করে নিয়ে যাওয়ার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে। দু'জনকে প্রথমে পাকড়াও করে তাদের সূত্র ধরে গ্রেপ্তার করা হয় অন্যদের। পুলিশ জানতে পেরেছে, লকডাউনে মদের আকালের মধ্যে বেশি দামে বাইরে মদ বিক্রির চেষ্টা করছিল ওই যুবকরা।
