নিজস্ব সংবাদদাতা: একজন দুঃস্থ কে বড়জোর ২ কেজি চাল,১কেজি আলু,আর ৫০০ গ্রাম ডাল সাহায্য করা হচ্ছে! তুলে দেওয়া হচ্ছে দুঃস্থ দের হাতে,তোলা হচ্ছে সেলফি সহ একাধিক ছবি। কেন তোলা হচ্ছে ছবি? এই প্রশ্ন করাতে রাজারহাটের এক সংগঠনের দাবী সাহায্য করছি তার স্মৃতি রাখছি। এখন বুদ্ধিজীবী মহলে প্রশ্ন উঠছে যে এগুলোকে কি সত্যিই সাহায্য বলা হয় ?? করোনা আবহে যখন লকডাউন চলছে তখন খাদ্য নিয়ে চিন্তায় বহু মানুষ।
কয়েকদিন আগেই রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় পর্যাপ্ত খাদ্যের দাবিতে পথে নেমে আসেন বহু মানুষ। মধ্যমগ্রাম,বসিরহাট,আমডাঙ্গা এলাকা খাদ্যের দাবিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খাদ্যের যেমন অভাব নেই তেমনি পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ ও আছে। কিন্তু কিছু অসৎ ব্যবসায়ীর কালোবাজারীর জন্য খাদ্য সামগ্রীর দাম এত পরিমানে চড়া,ফলে খাদ্য সংগ্রহে অক্ষম দুঃস্থ রা। যদিও পুলিশ এবং মুখ্যমন্ত্রী উভয়ই যৌথ উদ্যোগে কালোবাজারী রুখতে প্রচেষ্টা চালান।
সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন সংগঠন এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা কেবলমাত্র ছবি তোলা এবং সংবাদমাধ্যমের সামনে আসার জন্য বিভিন্ন দুঃস্থদের সাহায্য করছে। এগুলো কি নিছকই প্রচার নাকি আদতে সাহায্য তা নিয়ে কিন্তু উঠছে প্রশ্ন বিভিন্ন মহলে !! এই বিষয় নিয়ে এ রাজ্যের বুদ্ধিজীবী কৌশিক পাল বলেন "কোন দুঃস্থ কে সাহায্য করে ছবি তোলার কোন মানে হয় না, আজ যদি তারা দুঃস্থ হয়ে থাকে তাহলে সেটার দায় কিছুটা আমাদেরও, সে ক্ষেত্রে কোন দুস্থের পাশে দাঁড়ানো মানুষের কর্তব্য, ছবি তুলে প্রচার করা নয়," এ বিষয়ে এদিন জয়পুরিয়া কলেজের ছাত্র রক্তিম কর বলেন দুঃস্থদের সাহায্য করার সময় দেখনদারির কোন জায়গা নেই ক্যামেরাটা বাড়ি রেখে আসুন তাহলেই প্রকৃত সাহায্য করা হবে।
কয়েকদিন আগেই রাজ্যের বেশ কিছু জায়গায় পর্যাপ্ত খাদ্যের দাবিতে পথে নেমে আসেন বহু মানুষ। মধ্যমগ্রাম,বসিরহাট,আমডাঙ্গা এলাকা খাদ্যের দাবিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। খাদ্যের যেমন অভাব নেই তেমনি পর্যাপ্ত পরিমাণে সরবরাহ ও আছে। কিন্তু কিছু অসৎ ব্যবসায়ীর কালোবাজারীর জন্য খাদ্য সামগ্রীর দাম এত পরিমানে চড়া,ফলে খাদ্য সংগ্রহে অক্ষম দুঃস্থ রা। যদিও পুলিশ এবং মুখ্যমন্ত্রী উভয়ই যৌথ উদ্যোগে কালোবাজারী রুখতে প্রচেষ্টা চালান।
সাম্প্রতিক বেশ কয়েকটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে বিভিন্ন সংগঠন এবং রাজনৈতিক দলের নেতারা কেবলমাত্র ছবি তোলা এবং সংবাদমাধ্যমের সামনে আসার জন্য বিভিন্ন দুঃস্থদের সাহায্য করছে। এগুলো কি নিছকই প্রচার নাকি আদতে সাহায্য তা নিয়ে কিন্তু উঠছে প্রশ্ন বিভিন্ন মহলে !! এই বিষয় নিয়ে এ রাজ্যের বুদ্ধিজীবী কৌশিক পাল বলেন "কোন দুঃস্থ কে সাহায্য করে ছবি তোলার কোন মানে হয় না, আজ যদি তারা দুঃস্থ হয়ে থাকে তাহলে সেটার দায় কিছুটা আমাদেরও, সে ক্ষেত্রে কোন দুস্থের পাশে দাঁড়ানো মানুষের কর্তব্য, ছবি তুলে প্রচার করা নয়," এ বিষয়ে এদিন জয়পুরিয়া কলেজের ছাত্র রক্তিম কর বলেন দুঃস্থদের সাহায্য করার সময় দেখনদারির কোন জায়গা নেই ক্যামেরাটা বাড়ি রেখে আসুন তাহলেই প্রকৃত সাহায্য করা হবে।

