বিশেষ সংবাদদাতা: দেশ জুড়ে চলছে লকডাউন দ্বীতিয় পর্যয়। অতিক্রম হয়েছে প্রায় ২৭ দিন। দিন আনা দিন খাওয়া মানুষেরা পরিবারের সদস্যদের মুখে অন্ন জোগাতে হিমশিম খাচ্ছেন। সরকার থেকে রেশন মিললেও তা মেটাতে পারছে না চাহিদা। ফলে ঘরবন্দী অবস্থায় খাদ্য সংকটে। এমন সংকটজনক পরিস্থিতিতে দরিদ্র গ্রামবাসীর পাশে দাঁড়ালেন পূজা কমিটি।
দক্ষিণ ২৪ পরগণার মগরাহাট ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত ধনপোতা নবদুর্গা পূজা কমিটি। রবিবার পূজা সংঘের বিভিন্ন স্বচ্ছল সহৃদয় মানুষের আর্থিক আনুকুল্যে গ্রামের প্রায় ২৫০ পরিবারের হাতে জীবন ধারনের উপযোগী কিছু সামগ্রী প্রদান করলেন। এদিন পূজা সংঘের সম্পাদক কর্ণধর মিদ্দে বলেন,গত সপ্তাহে আমদের সদস্যদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ধনপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮টি গ্রামের আশা কর্মীদের সুপারিশে ২৫০টি দরিদ্র পরিবারের হাতে আমরা কিছু খাদ্যসামগ্রী তুলে দিয়েছি।
আজ আরও ২০০ গ্রামবাসীকে ৪ কিলো আলু, ১ কিলো পিঁয়াজ, ১ কিলো মুসুর ডাল, ৫০০মিলি সরষের তেল, ২০০ গ্রাম সয়াবিন ও ২টি সাবান একসঙ্গে প্যাকেট করে প্রত্যেক পরিবারকে দিতে পেরেছি। আগামী দিনেও আমাদের এই প্রচেষ্টা জারি থাকবে। পূজা কমিটির অন্যতম সদস্য নিরাশাহরণ নস্কর বলেন, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনগুলির উচিত এই সময়ে নিজের নিজের এলাকায় বেশি বেশি করে দরিদ্র মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করা। এটাই প্রকৃত ঈশ্বরসেবা।
দক্ষিণ ২৪ পরগণার মগরাহাট ২ নম্বর পঞ্চায়েত সমিতির অন্তর্গত ধনপোতা নবদুর্গা পূজা কমিটি। রবিবার পূজা সংঘের বিভিন্ন স্বচ্ছল সহৃদয় মানুষের আর্থিক আনুকুল্যে গ্রামের প্রায় ২৫০ পরিবারের হাতে জীবন ধারনের উপযোগী কিছু সামগ্রী প্রদান করলেন। এদিন পূজা সংঘের সম্পাদক কর্ণধর মিদ্দে বলেন,গত সপ্তাহে আমদের সদস্যদের ব্যক্তিগত উদ্যোগে ধনপোতা গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮টি গ্রামের আশা কর্মীদের সুপারিশে ২৫০টি দরিদ্র পরিবারের হাতে আমরা কিছু খাদ্যসামগ্রী তুলে দিয়েছি।
আজ আরও ২০০ গ্রামবাসীকে ৪ কিলো আলু, ১ কিলো পিঁয়াজ, ১ কিলো মুসুর ডাল, ৫০০মিলি সরষের তেল, ২০০ গ্রাম সয়াবিন ও ২টি সাবান একসঙ্গে প্যাকেট করে প্রত্যেক পরিবারকে দিতে পেরেছি। আগামী দিনেও আমাদের এই প্রচেষ্টা জারি থাকবে। পূজা কমিটির অন্যতম সদস্য নিরাশাহরণ নস্কর বলেন, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক সংগঠনগুলির উচিত এই সময়ে নিজের নিজের এলাকায় বেশি বেশি করে দরিদ্র মানুষের সেবায় আত্মনিয়োগ করা। এটাই প্রকৃত ঈশ্বরসেবা।


