নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা: করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মেডিকেল কলেজ থেকে শুরু করে আরজিকর হাসপাতালে সারপ্রাইজ ভিজিটিং-এ দেখা গেছে। কখনো বা বাজার পরিদর্শন করতেও দেখা গেছে। আবার কখনো নিজে হাতে রাস্তায় দূরত্ব বজায় রেখে সাদা গণ্ডি টানতেও দেখা গেছে। ঠিক তেমনি মঙ্গলবার দিন কালীঘাটের সাফাই কর্মীদের করোনা মোকাবিলায় কিভাবে ঝাড়ু ধরতে হবে তাও তিনি প্রশিক্ষণ দিলেন। শুধু তাই নয় মুখে মাস্ক হাতে গ্লাভস কেমন করে পড়ে এবং কি রকম ভাবে স্যানিটাইজ করতে হবে তাও তিনি দাঁড়িয়ে থেকে দেখিয়ে দিলেন।
এদিন তিনি শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত অভিভাবিকার মত ঘুরে বেড়ালেন। শহরের যে যে জায়গা থেকে নিয়ম শিথিলের অভিযোগ আসছিল নবান্নে, সেই সেই জায়গাতে পুলিশী তৎপরতায় কতটা নজরদারি চলছে তাও তিনি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখলেন। পাশাপাশি করোনা ভাইরাসের মতো মারন ভাইরাস থেকে নিজেকে সচেতন রাখা যায় তার দিকে খেয়াল রেখে এবং লকডাউন এর যাবতীয় শর্ত মেনে তিনি এদিন কালীঘাট,রাজাবাজার সহ শহরের বিভিন্ন প্রান্ত চষে বেড়ালেন। কখনো তাকে গাড়ির সিটে বসে মাইকিং করতেও দেখা গেল জনসাধারণের সচেতনতার জন্য। মুখ্যমন্ত্রীর এমন সারপ্রাইজ ভিজিটিং-এ সাফাই কর্মী থেকে শুরু করে আমজনতা সকলেই প্রায় অনুপ্রাণিত হলেন।
এদিন তিনি শহরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্ত অভিভাবিকার মত ঘুরে বেড়ালেন। শহরের যে যে জায়গা থেকে নিয়ম শিথিলের অভিযোগ আসছিল নবান্নে, সেই সেই জায়গাতে পুলিশী তৎপরতায় কতটা নজরদারি চলছে তাও তিনি পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখলেন। পাশাপাশি করোনা ভাইরাসের মতো মারন ভাইরাস থেকে নিজেকে সচেতন রাখা যায় তার দিকে খেয়াল রেখে এবং লকডাউন এর যাবতীয় শর্ত মেনে তিনি এদিন কালীঘাট,রাজাবাজার সহ শহরের বিভিন্ন প্রান্ত চষে বেড়ালেন। কখনো তাকে গাড়ির সিটে বসে মাইকিং করতেও দেখা গেল জনসাধারণের সচেতনতার জন্য। মুখ্যমন্ত্রীর এমন সারপ্রাইজ ভিজিটিং-এ সাফাই কর্মী থেকে শুরু করে আমজনতা সকলেই প্রায় অনুপ্রাণিত হলেন।
