বিবিপি নিউজ,মাসুদূর রহমান: ট্রেন সংখ্যা ৪১ টি।যাত্রী সংখ্যা ৫০হাজার। তারা আসছে কোথা থেকে? দেশের মধ্যে করোনা আক্রান্ত সহ মৃত্যুতে শীর্ষস্থানে থাকা মহারাষ্ট্র থেকে। শুধু তাই নয় আক্রান্তের প্রথমদিন থেকেই যে স্থানের নাম সংবাদ শিরোনামে স্থান করে নিয়েছিল, সেই মহারাষ্ট্রের ধারাভি বস্তি। যে স্থান এখনো পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের আঁতুড়ঘর হিসাবে চিহ্নিত হয়। যেখানে গত ২৪ঘণ্টাতেই ৩৮জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই রাজ্যের মুম্বাই স্টেশন থেকেই ২৬শে মে বাংলার উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে ৪১ টি ট্রেন। যেগুলি আসবে হাওড়াতে। আর তাতেই শুধুমাত্র রাজ্য সরকারের নয় রাজ্যবাসীর ও উদ্বেগের কারণ হয়ে উঠেছে।
এদিকে ঈদের আগে পর্যন্ত পরিযায়ী শ্রমিকদের রাজ্যে আগমনের সাথে সাথেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও লাফিয়ে লাফিয়ে দিন দিন বেড়েই চলেছে। এরই পাশাপাশি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আগেভাগেই রেলমন্ত্রকের কাছে অনুরোধ করেছিলেন যে ২৬শে মে পর্যন্ত বাংলায় যাতে কোনো শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন না আসে। সেই কথা মতোই ২৬তারিখেই মহারাষ্ট্রের মুম্বাই থেকে ছাড়ছে পরিযায়ী শ্রমিক স্পেশাল ট্রেন।পাশাপাশি রাজ্যের উপর দিয়ে মাত্র ৭ দিন আগেই বয়ে চলে গেছে আমফানের মত মহাপ্রলয়। ফলে সামাজিক দূরত্ব উঠেছে শিকেয়।এখনো পর্যন্ত ত্রাণশিবির গুলিতে গৃহহীন মানুষ গুলো গাদাগাদি করে কোনরকমে জীবন যাপন অতিবাহিত করছে। তাই সেখানেও থাকছে গোষ্ঠী সংক্রমনের মতো চোখ রাঙানি। তার ওপর আগত আরও ৫০ হাজার পরিযায়ী শ্রমিক যখনই বাংলায় ঢুকবে তখন থেকেই করোনা আক্রান্তের সংখ্যাটা কোথায় গিয়ে পৌঁছাবে তা এখনই অনুমান করা যাচ্ছে। উত্তর দেবে কিন্তু সময়।
