বিবিপি নিউজ: করোনা ভাইরাস বদলে দিয়েছে মানুষের জীবন যাপনের চিত্র। গোটা দেশের বিভিন্ন
জায়গায় নতুন করে লকডাউন ঘোষণা করেছে প্রশাসন। বারবার লকডাউনের জেরে বেহাল দশা সাধারণ মানুষের। হাতে নেই কোনো টাকা এমন সময় পথে নেমে সবজি,ফল,সহ বিভিন্ন ধরনের জিনিস বিক্রি করতে শুরু করেছে শিক্ষক থেকে শুরু করে একাধিক ব্যাক্তিত্বরা।
করোনা ভাইরাস মোকাবিলায় বারবার লকডাউনের জেরে সাধারণ মানুষ পড়েছেন মহাবিপদে। একে তো এই করোনা পরিস্থিতিতে বহু মানুষ কাজ হারাচ্ছেন। তার উপর নতুন করে লকডাউন ঘোষণা এবার ছোট ও মাঝারি ব্যবসায়ীদের ব্যাপক ক্ষতির মুখে ফেলছে। তাঁদের ভবিষ্যত অনিশ্চিত হয়ে পড়ছে। এই সব বিষয় নিয়ে সরকারের বিরুদ্ধে সমালোচনা করছেন একজন মহিলা সবজি বিক্রেতা। তাও আবার ইংরেজিতে। এই সবজি বিক্রেতা ঝরঝরে ইংরেজিতে সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন। ঘটনাটি ঘটেছে মধ্যপ্রদেশের ইন্দোরে। সবজি ওয়ালার ওই সমালোচনার ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। জানা গিয়েছে, ওই মহিলা লকডাউনে ফল আর সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন। তাঁর পকেটে রয়েছে পিএইচডি ডিগ্রি। তবুও তিনা চাকরি পাননি। এই দুঃসময়ে সংসার চালাতে সবজি বিক্রি করতে বাধ্য হয়েছেন।
কিন্তু সবজি বিক্রিতেও বাধা। স্থানীয় প্রশাসন এসে তাঁকে সবজির গাড়ি তুলে নিতে বলেছে। সেই সবজি বিক্রেতা জানিয়েছেন, এমনিতেই করোনার জন্য বাজারে ভিড় নেই। তাঁর দোকানের সামনে লোকজনের ভিড় নেই। সবাই দূরত্ব বজায় রেখে দাঁড়িয়ে সবজি কিনছেন। তবুও প্রশাসন তাঁকে তুলে দিতে চাইছে। পুলিশের সঙ্গে ইংরেজিতেই তর্কবিতর্ক করে চলেছেন। ওই মহিলার নাম রায়সা আন্সারি। তিনি পদার্থবিদ্যায় মাস্টার অফ সায়েন্স করেছেন। এরপরে ২০১১ সালে দেবী অহল্যা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থবিদ্যায় পিএইচডি করেছেন। তার পরও চাকরি পাননি। ''বেসরকারি চাকরি করতে চাইনি। কিন্তু সরকারি চাকরি আমাকে কে দেবে! আমি তো মুসলিম। এমনিতেই মুসলিমরা করোনা ছড়াচ্ছে বলে চারিদিকে গুজব রটছে। আমিও মুসলিম। আর এটা জানার পরই কোনও কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে চাকরি দিতে চায় না।
সূত্র: জি নিউজ।
