বিবিপি নিউজ: রাগের বশে জামাইয়ের গলা থেকে মুন্ডু কেটে দু-খন্ড করলেন শ্বশুর। এখানেই থেমে নেই, কাটা মুন্ডু হাতে নিয়ে সোজা হাজির হলেন থানায়। পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করলেন। রবিবার এমন ঘটনা ঘটেছে অন্ধ্রপ্রদেশের পূর্ব গোদাবরী জেলার অন্নভরম থানার অন্তর্গত ধারা জগন্নাধাপুরম গ্রামে।
অন্নভরম থানার সার্কল ইনস্পেক্টর রামবাবু জানিয়েছেন, রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে ধারা জগন্নাধাপুরম গ্রামে। ওই গ্রামের পাল্লা সত্যনারায়ণ (৫৬) গলা কেটে খুন করেছে তার জামাই পম্পানাপোনিয়া লক্ষ্মণকে। জানা গেছে ঝগড়ার সময় রাগের বশে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ওই পুলিশ অফিসার। সত্যনারায়ণের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।
জানা গেছে, সত্যনারায়ণের মেয়ে পাভানি ১০ মাস আগে আত্মহত্যা করে মারা গিয়েছে। তার পর থেকে লক্ষ্মণ ও পাভানির দুই সন্তান সত্যনারায়ণের কাছেই থাকে। পাভানির বাৎসরিক পারলৌকিক ক্রিয়ার অনুষ্ঠানের লক্ষ্মণকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন সত্যনারায়ণ। সেই উপলক্ষে ৮ অগস্ট জগন্নাধাপুরমে এসেছিলেন লক্ষ্মণ। রামবাবু এক সংবাদ সংস্থাকে বলেছেন, ‘‘৯ অগস্ট, রবিবার সত্যনারায়ণ লক্ষ্মণের দুই সন্তানকে তার সঙ্গে নিয়ে যেতে বলেন। কিন্তু তাতে রাজি ছিল না লক্ষ্মণ। সে সত্যনারায়নকে তার দ্বিতীয় বিয়ের ব্যবস্থা করতে বলে। লক্ষ্মণের দাবি ছিল, সে বিয়ে করলে তার স্ত্রী ওই বাচ্চাদের দেখাশোনা করবে। কিন্তু এই প্রস্তাবের বিরোধিতা করে সত্যনারায়ণ। এ নিয়ে দু’জনের মধ্যে শুরু হয় তুমুল ঝগড়া। তখনই ধারালো অস্ত্রের কোপে লক্ষ্মণের মাথা কেটে দেয় সত্যনারায়ণ।’’ এই ঘটনার পর সত্যনারায়ণ নিজেই থানায় এসে আত্মসমর্পণ করেন।
