প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে তিউনিসিয়ায় পথে দেশের নাগরিকেরা - BBP NEWS

Breaking

সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১

প্রেসিডেন্টের পদত্যাগের দাবিতে তিউনিসিয়ায় পথে দেশের নাগরিকেরা



বিবিপি নিউজ: উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করছে সেদেশের নাগরিকেরা।

রবিবার দেশটির রাজধানী তিউনিসের হাবিব বুরগুইবা অ্যাভিনিউতে অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে শত শত অংশগ্রহণকারী এই দাবি তোলেন। বিক্ষোভকারীরা ‘জনগণ অভ্যুত্থানের পতন চায়’ বলে স্লোগান দেন।


সংবাদ সংস্থা রয়টার্সের কাছে এক বিক্ষোভকারী বলেন, ‘তিনি (সাইদ) এক স্বৈরশাসক যিনি বিপ্লবের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন এবং গণতন্ত্রের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। তিনি সব ক্ষমতা হাতে নিয়েছেন। এটি অভ্যুত্থান এবং আমরা রাস্তা থেকেই তা প্রতিহত করবো।’ৎগত ২৫ জুলাই করোনা পরিস্থিতিতে তিউনিসিয়ায় সৃষ্ট দুর্যোগপূর্ণ অবস্থায় জেরে আকস্মিক সরকারবিরোধী বিক্ষোভের পর রাতে প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদ দুই বছর আগে নির্বাচিত পার্লামেন্ট ৩০ দিনের জন্য স্থগিত এবং প্রধানমন্ত্রী হিশাম মাশিশিকে বরখাস্ত ও দেশের নির্বাহী ক্ষমতা নিজের হাতে নেওয়ার ঘোষণা করে আদেশ জারি করেন।


পরে ২৩ আগস্ট ‘রাষ্ট্রের জন্য হুমকি’ বিবেচনায় পরবর্তী আদেশ দেওয়া না পর্যন্ত পার্লামেন্ট স্থগিত রাখার আদেশ দেন প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদ।

অপরদিকে ২২ সেপ্টেম্বর জারি করা এক অধ্যাদেশের মাধ্যমে সংবিধানের কিছু অংশ স্থগিত করার মাধ্যমে নিজের ক্ষমতা জোরদার করেন সাইদ।ৎতিউনিসিয়ার রাজনৈতিক দলগুলো এই আদেশকে 'সাংবিধানিক অভ্যুত্থান' বলে অভিযোগ করে আসছে। ২৬ জুলাই দেশটির বৃহত্তম রাজনৈতিক দল আননাহদার প্রধান ও পার্লামেন্ট স্পিকার রশিদ গানুশিসহ দলীয় পার্লামেন্ট সদস্য ও সমর্থকরা রাজধানী তিউনিসে পার্লামেন্টের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করেন। অপরদিকে প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদের সমর্থকরাও পার্লামেন্টের সামনে জড়ো হন। এই সময় দুই পক্ষের মধ্যে পরস্পরের প্রতি পাথর নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে।


অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত রাত্রিকালীন কারফিউ জারি করেছিলেন প্রেসিডেন্ট কায়েস সাইদ। একইসাথে তিনজনের বেশি লোককে প্রকাশ্যে জমায়েত হওয়ায় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিলো। এছাড়া বেশ কিছু মন্ত্রী ও সরকারি কর্মকর্তাদের বরখাস্ত করেন কায়েস সাইদ। এছাড়া বিভিন্ন অভিযোগে বেশ কয়েকজন রাজনৈতিক নেতাকে গৃহবন্দী করা হয়েছে।ৎতিউনিসিয়ার রাজনৈতিক দলগুলো প্রেসিডেন্ট কাইস সাইদের এসব পদক্ষেপগুলোর মাধ্যমে দেশটিতে স্বৈরাচারী শাসন ফিরে আসার শঙ্কায় আছেন।

Pages