বিবিপি নিউজ: বারুইপুর কাণ্ডে পুলিশের গুলিতে মৃত্যু ধৃত হল অভিযুক্ত প্রভাস মণ্ডলের। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার গভীর রাতে ঘটনার পুনর্নিমাণের জন্য প্রভাসকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বারুইপুরের সূর্যপুরে। রাত ১২টো ৪৫ মিনিট নাগাদ অভিযুক্ত আচমকাই পুলিশের বন্দুক ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে।সেই সময় গুলি চালায় পুলিশ। । আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। বারুইপুরকাণ্ডে এই প্রভাস মণ্ডলই প্রথম গ্রেফতার হয়েছিল।
পুলিশ সূত্রে খবর, গতকাল রাত ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ বারুইপুরের ওই ঘটনাস্থলে পুনর্নির্মাণের জন্য ধৃত প্রভাস মণ্ডলকে নিয়ে গিয়েছিল পুলিশ। গাড়ি থেকে নামানোর পরেই পুলিশের সার্ভিস রিভলভার কোনওভাবে হাতিয়ে নেয় প্রভাস। গুলি চালায় সে, এমনকী পালানোর চেষ্টাও করে। প্রভাস মণ্ডল পালানোর চেষ্টা করার সময় গুলিবিদ্ধ হয় সে, এমনটাই দাবি পুলিশের। আহত অবস্থায় প্রভাসকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা।
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এসেছিলেন নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে। তিনি সর্বোচ্চ শাস্তির আশ্বাস দিয়েছিলেন। এরপরই গতকাল রাতে ঘটনার পুনর্নির্মাণের সময় অভিযুক্ত পালানোর চেষ্টা করায় এনকাউন্টার।
বারুইপুরকাণ্ডে সবার প্রথমে গ্রেফতার হয়েছিল প্রভাস মণ্ডল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে আরও কয়েকজন ধরা পড়ে। পুলিশ সূত্রে খবর, প্রভাস মণ্ডলের বয়ানে বারবার অসঙ্গতি পাওয়া গিয়েছে। পুলিশকে বারংবার বিভ্রান্ত করার চেষ্টা করেছে প্রভাস। এমন তথ্য সে পুলিশকে দিচ্ছিল যাতে মনে হয় গোটা ঘটনায় তার কোনও দায় নেই, বাকিরাই যুক্ত। পুলিশ সূত্রে খবর, এই প্রভাসের থেকেই জেরায় জানা যায় যে তাকে ১০ হাজার টাকার টোপ দিয়ে ওই নাবালিকাকে তুলে আনতে বলা হয়েছিল। প্রভাসের থেকে এও জানা যায় যে, নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের পর বস্তাবন্দি করে দেহ ফেলা হয়েছিল পুকুরে। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে এও জানা গিয়েছে যে, সংজ্ঞাহীন অবস্থায় সম্ভবত নাবালিকাকে বস্তায় ভরে ফেলে দেওয়া হয়েছিল পুকুরে। প্রভাস জেরায় দাবি করেছিল দেহ ফেলার সময়েই সে গিয়েছিল। থানার ভিতরে পুলিশের সঙ্গে প্রভাস এবং অন্যান্য ধৃতদের কথোপকথনের একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে ইতিমধ্যেই। বারুইপুরের নৃশংস ঘটনার পর স্থানীয়রাই প্রথমে পাকড়াও করে প্রভাস মণ্ডলকে।
