বিবিপি নিউজ,জ্যোতির্ময়ী রায়: জয়পুরের ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবোরেটরি-এর পর এ বার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও বড়সড় ধাক্কা খেল 'জনসন অ্যান্ড জনসন'-এর ট্যালকম পাউডার। সংস্থার বিরুদ্ধে ফৌজদারি তদন্ত শুরু হয়েছে আমেরিকায়।
মাস খানেক আগেই জয়পুরের ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবোরেটরি-এর পরীক্ষায় সামনে আসে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য। 'জনসন অ্যান্ড জনসন'-এর বেবি শ্যাম্পু আর ট্যালকম পাউডারে এমন একাধিক বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে যা থেকে হতে পারে ক্যানসারের মতো ভয়ঙ্কর রোগ। ওই পরীক্ষায় জানা যায়, ফরম্যালডিহাইড-সহ বেশ কয়েকটি মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশে রয়েছে 'জনসন অ্যান্ড জনসন'-এর বেবি শ্যাম্পু আর ট্যালকম পাউডারে সঙ্গে।
এর পরই দেশ জুড়ে জনসন বেবি প্রোডাক্টের বিক্রি বন্ধ করার নির্দেশ দেয় 'ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অব চাইল্ড রাইটস'।
২০১৯-এর গোড়ার দিকে ক্যালিফোর্নিয়ায় সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেন এক মহিলা। মামলাকারীর অভিযোগ, জনসন অ্যান্ড জনসন সংস্থার বেবি পাউডার ব্যবহার করেই মেসোথ্যালমিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। মামলাকারীর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় ওই মহিলাকে ভারতীয় মূদ্রায় প্রায় ১৯৯ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার সুপিরিয়ার কোর্ট।
শুধু এই মামলাই নয়, ক্যালিফোর্নিয়াতে এ পর্যন্ত ১৩০০০-এরও বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন-এর বিরুদ্ধে। আমেরিকা ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশেও সংস্থার বিরুদ্ধে হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক বার গুণমান পরীক্ষার মুখে ডাঁহা ফেল করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন-এর বেবি পাউডার-সহ একাধিক পণ্য। বার বার জনসনের বেবি পাউডারে অ্যাসবেস্টাসের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে।
এর পরই দেশ জুড়ে জনসন বেবি প্রোডাক্টের বিক্রি বন্ধ করার নির্দেশ দেয় 'ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অব চাইল্ড রাইটস' (NCPCR)।
২০১৯-এর গোড়ার দিকে ক্যালিফোর্নিয়ায় সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেন এক মহিলা। মামলাকারীর অভিযোগ, জনসন অ্যান্ড জনসন সংস্থার বেবি পাউডার ব্যবহার করেই মেসোথ্যালমিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। মামলাকারীর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় ওই মহিলাকে ভারতীয় মূদ্রায় প্রায় ১৯৯ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার সুপিরিয়ার কোর্ট। শুধু এই মামলাই নয়, ক্যালিফোর্নিয়াতে এ পর্যন্ত ১৩০০০-এরও বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন-এর বিরুদ্ধে। আমেরিকা ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশেও সংস্থার বিরুদ্ধে হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক বার গুণমান পরীক্ষার মুখে ডাঁহা ফেল করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন-এর বেবি পাউডার-সহ একাধিক পণ্য। বার বার জনসনের বেবি পাউডারে অ্যাসবেস্টাসের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে।
মাস খানেক আগেই জয়পুরের ড্রাগ টেস্টিং ল্যাবোরেটরি-এর পরীক্ষায় সামনে আসে একটি চাঞ্চল্যকর তথ্য। 'জনসন অ্যান্ড জনসন'-এর বেবি শ্যাম্পু আর ট্যালকম পাউডারে এমন একাধিক বিষাক্ত রাসায়নিকের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে যা থেকে হতে পারে ক্যানসারের মতো ভয়ঙ্কর রোগ। ওই পরীক্ষায় জানা যায়, ফরম্যালডিহাইড-সহ বেশ কয়েকটি মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক মিশে রয়েছে 'জনসন অ্যান্ড জনসন'-এর বেবি শ্যাম্পু আর ট্যালকম পাউডারে সঙ্গে।
এর পরই দেশ জুড়ে জনসন বেবি প্রোডাক্টের বিক্রি বন্ধ করার নির্দেশ দেয় 'ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অব চাইল্ড রাইটস'।
২০১৯-এর গোড়ার দিকে ক্যালিফোর্নিয়ায় সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেন এক মহিলা। মামলাকারীর অভিযোগ, জনসন অ্যান্ড জনসন সংস্থার বেবি পাউডার ব্যবহার করেই মেসোথ্যালমিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। মামলাকারীর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় ওই মহিলাকে ভারতীয় মূদ্রায় প্রায় ১৯৯ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার সুপিরিয়ার কোর্ট।
শুধু এই মামলাই নয়, ক্যালিফোর্নিয়াতে এ পর্যন্ত ১৩০০০-এরও বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন-এর বিরুদ্ধে। আমেরিকা ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশেও সংস্থার বিরুদ্ধে হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক বার গুণমান পরীক্ষার মুখে ডাঁহা ফেল করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন-এর বেবি পাউডার-সহ একাধিক পণ্য। বার বার জনসনের বেবি পাউডারে অ্যাসবেস্টাসের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে।
এর পরই দেশ জুড়ে জনসন বেবি প্রোডাক্টের বিক্রি বন্ধ করার নির্দেশ দেয় 'ন্যাশনাল কমিশন ফর প্রোটেকশন অব চাইল্ড রাইটস' (NCPCR)।
২০১৯-এর গোড়ার দিকে ক্যালিফোর্নিয়ায় সংস্থার বিরুদ্ধে মামলা করেন এক মহিলা। মামলাকারীর অভিযোগ, জনসন অ্যান্ড জনসন সংস্থার বেবি পাউডার ব্যবহার করেই মেসোথ্যালমিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। মামলাকারীর অভিযোগ সত্য প্রমাণিত হওয়ায় ওই মহিলাকে ভারতীয় মূদ্রায় প্রায় ১৯৯ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ক্যালিফোর্নিয়ার সুপিরিয়ার কোর্ট। শুধু এই মামলাই নয়, ক্যালিফোর্নিয়াতে এ পর্যন্ত ১৩০০০-এরও বেশি অভিযোগ জমা পড়েছে জনসন অ্যান্ড জনসন-এর বিরুদ্ধে। আমেরিকা ছাড়া বিশ্বের অন্যান্য দেশেও সংস্থার বিরুদ্ধে হাজার হাজার অভিযোগ জমা পড়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে একাধিক বার গুণমান পরীক্ষার মুখে ডাঁহা ফেল করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন-এর বেবি পাউডার-সহ একাধিক পণ্য। বার বার জনসনের বেবি পাউডারে অ্যাসবেস্টাসের মতো ক্ষতিকর রাসায়নিকের উপস্থিতির প্রমাণ মিলেছে।
