সনাতন গরাই,দুর্গাপুর: ঘটনাটি দূর্গাপুরের কাঁকসা বিষ্ণুপুরের সুসংহত শিশু বিকাশ কেন্দ্রর। যেখানে প্রায় ৬০-৭০জন শিশুর পড়াশোনার পাশাপাশি খাবার দেওয়া হয়। কিন্তু রান্নার ঘর বলতে খড়ের ছাউনি দরজা হীন,তাই সেখানেই বসবাস করে শুকরেরা।
বিবিপি নিউজের ক্যামেরায় দেখা যায় রান্নার উননের পাশেই শুকরের ছানা,শুকরের মল মূত্র আর তার পাশেই উননের মধ্যে রান্না হচ্ছে শিশুদের খাবার,আর সেই খাবারই দেওয়া হচ্ছে শিশুদের।এলাকার আদিবাসী মহিলাদের দাবি দীর্ঘদিন ধরে একই অবস্থায় পড়ে আছে এই অঙ্গওনারী কেন্দ্রটি।
সাংবাদিকদের স্থানীয়রা জানান মাঝে মধ্যে এই খাবার খেয়ে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।আদিবাসী মহিলারা আরও বলেন কি আর করবো তবুও এই খাবার ই খাওয়াতে হয়। এই অবস্থা কি উপর মহল আগে জানত নাকি জানা সত্ত্বেও কোনো কাজ করেননি। ফের প্রশ্ন উঠেছে। তবে সদুত্তর নেই ।
গোপন সূত্র ধরে শিশু বিকাশকেন্দ্রে প্রবেশ করে সংবাদ মাধ্যম। তবে ওই শিশু বিকাশ কেন্দ্রর এক কর্মী জানান উপর মহলে জানানো সত্ত্বেও কোনো কাজে আসে নি। এবার কি শিশুদের এই খাবার দেওয়ার কথা সম্প্রচার হতেই নড়েচড়ে বসবে প্রশাসন না কি একই অবস্থায় থেকে যাবে এখন সেটাই দেখার।
বিবিপি নিউজের ক্যামেরায় দেখা যায় রান্নার উননের পাশেই শুকরের ছানা,শুকরের মল মূত্র আর তার পাশেই উননের মধ্যে রান্না হচ্ছে শিশুদের খাবার,আর সেই খাবারই দেওয়া হচ্ছে শিশুদের।এলাকার আদিবাসী মহিলাদের দাবি দীর্ঘদিন ধরে একই অবস্থায় পড়ে আছে এই অঙ্গওনারী কেন্দ্রটি।
সাংবাদিকদের স্থানীয়রা জানান মাঝে মধ্যে এই খাবার খেয়ে বাচ্চারা অসুস্থ হয়ে পড়ে।আদিবাসী মহিলারা আরও বলেন কি আর করবো তবুও এই খাবার ই খাওয়াতে হয়। এই অবস্থা কি উপর মহল আগে জানত নাকি জানা সত্ত্বেও কোনো কাজ করেননি। ফের প্রশ্ন উঠেছে। তবে সদুত্তর নেই ।
গোপন সূত্র ধরে শিশু বিকাশকেন্দ্রে প্রবেশ করে সংবাদ মাধ্যম। তবে ওই শিশু বিকাশ কেন্দ্রর এক কর্মী জানান উপর মহলে জানানো সত্ত্বেও কোনো কাজে আসে নি। এবার কি শিশুদের এই খাবার দেওয়ার কথা সম্প্রচার হতেই নড়েচড়ে বসবে প্রশাসন না কি একই অবস্থায় থেকে যাবে এখন সেটাই দেখার।



