বিবিপি নিউজ,নিজস্ব সংবাদদাতা,কলকাতা: ৭৩ তম স্বাধীনতা দিবস উদযাপনের প্রাক্কালে গোটা দেশে যখন সাজো সাজো রব পড়ে গেছে, ঠিক তার আগের দিন টাকেই অর্থাৎ ১৪ই আগস্ট কলকাতা পৌরসভার দীর্ঘদিনের মেয়র তথা রাজ্য সরকারের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শুধু নয় স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্নেহভাজন কানন বিজেপিতে যোগদানের জন্য দিনটিকে বেছে নিলেন। আর সেই যোগদান পর্ব কে ঘিরে দিল্লির বিজেপির সদর দপ্তর ও ছিল বেশ জাঁকজমকপূর্ণ। কেননা যে দুই ব্যক্তিত্বকে নিয়ে সপ্তদশ লোকসভা নির্বাচন থেকে শুরু করে বিজেপিতে যোগ দানের আগের দিন পর্যন্ত প্রচারের কেন্দ্রবিন্দু ছিল, সেই শোভন বৈশাখী জুটি বিজেপিতে যোগদান করবেন।
তারপর কেটে গেছে পাঁচটা দিন।২০ আগস্ট সেই শোভন বৈশাখী জুটিকে রাজ্য বিজেপি দপ্তর সাদর অভ্যর্থনা স্বরূপ এক সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করে। আর সেই সাংবাদিক সম্মেলনে প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী তথা সদ্য বিজেপিতে যোগদান করা শোভন চট্টোপাধ্যায় ক্ষোভ উগরে দিলেন। অভ্যর্থনা শেষে সাংবাদিক বৈঠক এর প্রশ্নোত্তর পর্বের শেষে ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে যদি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী করে এই প্রশ্ন উড়ে আসতেই তার প্রতিক্রিয়াস্বরূপ প্রাক্তন তৃণমূল কর্মী শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, "যখন আমি তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলাম তখন যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা পার্টির কেউ বলতো যে ৩৮ ডিগ্রি বা ৪৮ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডে ডেরিনা ক্রসিং এ দাঁড়াতে হবে আমাকে। দরকার আছে। আমি দাঁড়িয়ে পড়তাম। আজও পার্টি বদল হয়েছে কিন্তু শোভন চ্যাটার্জি বদলাইনি। সেজন্য বিজেপি যদি চায় ভোটে লড়াই করার জন্য আমাকে দরকার। যে কোন নির্বাচন কেন্দ্র থেকে আমাকে দাঁড় করাতে পারে। শুধু তাই নয় আমি সেই জায়গাতেই লড়াই করে জয়লাভ ও করব।"
তারপর কেটে গেছে পাঁচটা দিন।২০ আগস্ট সেই শোভন বৈশাখী জুটিকে রাজ্য বিজেপি দপ্তর সাদর অভ্যর্থনা স্বরূপ এক সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করে। আর সেই সাংবাদিক সম্মেলনে প্রাক্তন তৃণমূল কংগ্রেসের একনিষ্ঠ কর্মী তথা সদ্য বিজেপিতে যোগদান করা শোভন চট্টোপাধ্যায় ক্ষোভ উগরে দিলেন। অভ্যর্থনা শেষে সাংবাদিক বৈঠক এর প্রশ্নোত্তর পর্বের শেষে ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে যদি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী করে এই প্রশ্ন উড়ে আসতেই তার প্রতিক্রিয়াস্বরূপ প্রাক্তন তৃণমূল কর্মী শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, "যখন আমি তৃণমূল কংগ্রেসে ছিলাম তখন যদি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা পার্টির কেউ বলতো যে ৩৮ ডিগ্রি বা ৪৮ ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডে ডেরিনা ক্রসিং এ দাঁড়াতে হবে আমাকে। দরকার আছে। আমি দাঁড়িয়ে পড়তাম। আজও পার্টি বদল হয়েছে কিন্তু শোভন চ্যাটার্জি বদলাইনি। সেজন্য বিজেপি যদি চায় ভোটে লড়াই করার জন্য আমাকে দরকার। যে কোন নির্বাচন কেন্দ্র থেকে আমাকে দাঁড় করাতে পারে। শুধু তাই নয় আমি সেই জায়গাতেই লড়াই করে জয়লাভ ও করব।"
