নিজস্ব সংবাদদাতা,রায়গঞ্জ: ফের উত্তপ্ত উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের কর্ণজোড়া এলাকা। বিজেপি করার অপরাধে খোয়ালেন শরীরের অঙ্গ। রাজনীতি আজ চরমে পৌঁছেছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে রায়গঞ্জের কর্নজোড়ার বাসিন্দা সুকুমার দাস বিজেপির একজন সক্রিয় কর্মী। এলাকার তৃনমূল কংগ্রেস আশ্রিত দুস্কৃতীরা তাঁর বাড়ির সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় প্রতিনিয়ত গালিগালাজ করে বলে অভিযোগ। বুধবার রাতে একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হওয়ায় সুকুমার দাস ও তাঁর স্ত্রী অঞ্জনা দাস প্রতিবাদ করেন।
অভিযোগ, প্রতিবাদ করতেই দুষ্কৃতীরা সুকুমারকে হেনস্থা করতে শুরু করে। ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয় সুকুমার দাসের উপর। স্বামীকে বাঁচাতে স্ত্রী অঞ্জনা দাস এগিয়ে গেলে দুস্কৃতীরা ধারালো অস্ত্রের কোপ দিয়ে অঞ্জনার কান কেটে নেয়।পাশাপাশি তাঁর গলায় থাকা সোনার চেন, কানের দুল ছিনতাই করে পালিয়ে যায় দুস্কৃতীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় অঞ্জনাকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার কানে ছটি সেলাই পড়েছে। তারপর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিন রাতেই বিজেপি কর্মী দাস দম্পতি কর্নজোড়া পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে এটা বিজেপির নব্য ও পুরনোদের বিবাদের জের।
অভিযোগ, প্রতিবাদ করতেই দুষ্কৃতীরা সুকুমারকে হেনস্থা করতে শুরু করে। ধারালো অস্ত্র নিয়ে চড়াও হয় সুকুমার দাসের উপর। স্বামীকে বাঁচাতে স্ত্রী অঞ্জনা দাস এগিয়ে গেলে দুস্কৃতীরা ধারালো অস্ত্রের কোপ দিয়ে অঞ্জনার কান কেটে নেয়।পাশাপাশি তাঁর গলায় থাকা সোনার চেন, কানের দুল ছিনতাই করে পালিয়ে যায় দুস্কৃতীরা। গুরুতর জখম অবস্থায় অঞ্জনাকে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তার কানে ছটি সেলাই পড়েছে। তারপর তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিন রাতেই বিজেপি কর্মী দাস দম্পতি কর্নজোড়া পুলিশ ফাঁড়িতে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। পুলিশ ঘটনার তদন্তে নেমেছে। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা হয়নি। তবে তৃণমূলের তরফে জানানো হয়েছে এটা বিজেপির নব্য ও পুরনোদের বিবাদের জের।
