বিবিপি নিউজ: খুবই জরুরি ছাড়া সাধারণত মধ্য রাতে আদালত বসে না। কিন্তু সকাল থেকে রাত পর্যন্ত আদালতে চলছে মামলার শুনানি। শুনলে কিছুটা হলেও অবাক হওয়ার মত। কারন এখন তো দেশ জুড়ে লকডাউন চলছে এরমধ্যে খুবই জরুরি ছাড়া তো সব মামলার শুনানি বন্ধ। তবে এদিন রায়গঞ্জ আদালতে দেখা মিললো অন্য ছবি। তবে করোনার ভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধ করতে সব ধরনের নিয়ম মেনেই চললো শুনানি।
এদিন আদালতে হাজির ছিলেন, কেউ খুনের মামলায়, কেউ আবার ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত । আবার কেউ জড়িত সামান্য মারপিটের ঘটনার সঙ্গে। লকডাউনের ফলে জেলে থাকতে হচ্ছে এদের সকলকেই। এই সমস্ত শুনানি শেষ করতে রায়গঞ্জ জেলা দায়রা আদালত খোলা থাকল রাত একটা পর্যন্ত। অপ্রয়োজনে কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হয়নি আদালত চত্বরে । স্যানিটাইজ়ার ব্যবহার করেই আদালত চত্বরে ঢোকার অনুমতি ছিল তাদের ।রায়গঞ্জ আদালতে সকাল ১১টা থেকে শুরু করে রাত ১ পর্যন্ত চলে শুনানি ।
এদিন কোনওভাবেই এই স্পেশাল কোর্টে আইনজীবী এবং অভিযোগকারী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাড়া আর কাউকেই ঢোকার অনুমতি দিচ্ছে না জেলা আদালত। এই সময়ও জামিনের অপেক্ষা করছে অনেকে। তাই গতকাল সকাল থেকে রায়গঞ্জ জেলা আদালত খোলা হয় । আদালত চত্বরে বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যদের ভিড় হয় ।রাত একটা পর্যন্ত আদালত চত্বরে বসে থাকতে দেখা যায় একাধিকজনকে । গতকাল সারাদিনে ১০০-রও বেশি মামলার শুনানি হয়েছে ।
এদিন আদালতে হাজির ছিলেন, কেউ খুনের মামলায়, কেউ আবার ধর্ষণের মামলায় অভিযুক্ত । আবার কেউ জড়িত সামান্য মারপিটের ঘটনার সঙ্গে। লকডাউনের ফলে জেলে থাকতে হচ্ছে এদের সকলকেই। এই সমস্ত শুনানি শেষ করতে রায়গঞ্জ জেলা দায়রা আদালত খোলা থাকল রাত একটা পর্যন্ত। অপ্রয়োজনে কাউকেই ঢুকতে দেওয়া হয়নি আদালত চত্বরে । স্যানিটাইজ়ার ব্যবহার করেই আদালত চত্বরে ঢোকার অনুমতি ছিল তাদের ।রায়গঞ্জ আদালতে সকাল ১১টা থেকে শুরু করে রাত ১ পর্যন্ত চলে শুনানি ।
এদিন কোনওভাবেই এই স্পেশাল কোর্টে আইনজীবী এবং অভিযোগকারী বা অভিযুক্ত ব্যক্তি ছাড়া আর কাউকেই ঢোকার অনুমতি দিচ্ছে না জেলা আদালত। এই সময়ও জামিনের অপেক্ষা করছে অনেকে। তাই গতকাল সকাল থেকে রায়গঞ্জ জেলা আদালত খোলা হয় । আদালত চত্বরে বিভিন্ন অভিযোগে অভিযুক্তদের পরিবারের সদস্যদের ভিড় হয় ।রাত একটা পর্যন্ত আদালত চত্বরে বসে থাকতে দেখা যায় একাধিকজনকে । গতকাল সারাদিনে ১০০-রও বেশি মামলার শুনানি হয়েছে ।
