বিবিপি নিউজ: গোটা বিশ্ব জুড়ে মারন ভাইরাসের তটস্থ। পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভাইরাস সংক্রমণ রোধ এড়াতে চলছে লকডাউন। দিন-রাত নিরালস ভাবে ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন চিকিৎসকেরা। পাশাপাশি ভাইরাসের প্রতিষেধক টিকা আবিষ্কার করতেও চলছে গবেষণা। ভয়াবহ পরিস্থিতিতে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ বিভিন্ন সময়ে বাতলাচ্ছেন নানা সমাধান; সরকার তাঁর মতো করে চেষ্টা করে চলেছেন এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে। কিন্তু কোথাও যেন একটা বড়ো ফাঁক থেকে যাচ্ছিল; যার ফলস্বরূপ, সামলানো যাচ্ছিলোনা এই ভয়াবহ মহামারী।
কলকাতার "হিউম্যানিটি ইনস্টিটিউট ফর অ্যাডভান্সড্ মেডিকেল ও কালচারাল রিসার্চ"-এর একদল গবেষক দল অবশেষে পেয়েছেন সেই প্রশ্নের উত্তর। সদ্য প্রকাশিত গবেষণাপত্রে ("CoVID-19, A Man Made Disaster & It's Treatment") ডাঃ সিঞ্চন দাস, প্রিয়াঙ্কেশ মিশ্র এবং স্বস্তিকা সুব্বা দেখিয়েছেন, কি ভাবে দিনের পর দিন আমাদের ত্রুটিপূর্ণ জীবনধারণ পদ্ধতি ডেকে এনেছে এই ধরণের মারাত্মক ব্যাধিকে এবং তারই সাথে অসংখ্য ব্যাধিকে। তাঁরা দেখিয়েছেন, বর্তমান সভ্যতার বদান্যতায় আমাদের শরীর পর্যবসিত হয়েছে রোগের আঁতুড়ঘরে। যাকে এড়িয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের বেশি বেশি করে নির্ভরশীল করে তোলা হয়েছে ওষুধের প্রতি, যা প্রতি পদে পদে আমাদের ঠেলে দিয়েছে ভয়ঙ্কর অন্ধকারের দিকে।
তাঁরা আরও বলেন, এখনই যদি না আমরা এই ধ্বংস লীলা আর অবজ্ঞার সংস্কৃতি বন্ধ না করি, সেক্ষেত্রে ভবিষ্যতে আমাদের আরো অনেক মৃত্যু মিছিলের সাক্ষী থাকতে হবে। তাঁরা ৭৮০০ জন রোগীর চিকিৎসার মাধ্যমে দেখিয়েছেন হোমিওপ্যাথি ওষুধ, খাদ্যাভ্যাসের বদল, জীবনধারণ পদ্ধতির বদলের মাধ্যমে করোনা সহ অধিকাংশ ভয়ঙ্কর ব্যাধিকে আটকে দেওয়া সম্ভব। খাদ্যাভ্যাস ও জীবনধারণ পদ্ধতি সম্পর্কে যে গুরুত্বপূর্ণ কথাগুলি বলেছেন, সেগুলি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্যঃ
1. যে কোনরকমের অসুস্থতা নিয়ে অযথা চিন্তাভাবনা না করা। বরং নিজেকে এটা বিশ্বাস করাতে হবে যে--"আমি সুস্থ আছি।
2. দৈনন্দিন পরিমিত আহার গ্রহণ।
3. নিয়মিত পরিমাণ মতো পানীয় জল গ্রহণ।
4. প্রতিদিন নিয়মিত ভাবে সকালে যোগব্যায়াম এবং
প্রাণায়াম।
5. ধূমপান, মদ্যপান এবং অন্যান্য নেশাগ্রস্ত দ্রব্য
বর্জন।
6. anti-oxidant সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ। ইত্যাদি।
