বিশ্বজিৎ দাস: দেশের করোনা পরিস্থিতি শীতের আগে যতটা ভাল হওয়ার কথা ছিল, বেশ কয়েকটি রাজ্যে ততটা আশানুরূপ হয়নি। সম্প্রতি দেশে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা পেরিয়েছে ৯০ লক্ষ। মৃত্যু হয়েছে ১ লক্ষ ৩০ হাজারের উপরে। যার জেরে আংশিক লকডাউনের পথে দেশের একাধিক শহর।
দেশের একাধিক শহরে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ঊর্ধ্বমুখী।গুজরাটের আহমেদাবাদ ও মধ্যপ্রদেশের ভোপালে পরিস্থিতি সংকটজনক। আহমেদাবাদে লাগু রয়েছে অনির্দিষ্টকালীন রাত্রিকালীন কার্ফু। শনি ও রবিবার কার্ফু জারি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয় রূপানি।
রাজস্থানের সমস্ত জেলায় শনিবার থেকে জারি হচ্ছে ১৪৪ ধারা। ভোপালেও কার্ফুর জারির কথা ভাবছে প্রশাসন। দিল্লির সঙ্গে বিমান ও রেল যোগাযোগ বন্ধ করার কথা ভাবছে মহারাষ্ট্র সরকার। এর পাশাপাশি পন্ধরপুরে জারি হতে পারে কার্ফু। মুম্বইয়ে সমস্ত স্কুল ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত বন্ধ রাখার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
মোদি সরকার এদিকে করোনায় ঊর্ধ্বমুখী ৫টি রাজ্যকে চিহ্নিত করে ফের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলকে পরিদর্শনে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।এই ৫ রাজ্যের মধ্যে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গও। এখানেও গত ২৪ ঘণ্টার করোনা গ্রাফ উদ্বেগ বাড়িয়েছে। দৈনিক সংক্রমণ বৃদ্ধির পাশাপাশি কমেছে করোনাজয়ীর সংখ্যা, যা চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে। এই পরিস্থিতিতে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধিরা ফের পরিদর্শনে আসছেন বলে খবর। তবে কবে বাংলায় আসছেন, তার চূড়ান্ত দিনক্ষণ এখনও স্থির হয়নি।
