বিবিপি নিউজ: বিধ্বংসী ঘূর্ণিঝড় যশ-এর তান্ডব রাজ্যের একেবারেই কান বেয়ে গড়িয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার বিস্তৃর্ন অঞ্চল। এবার প্রকৃতিক কীভাবে দুর্যোগ রুখতে পারে—তার পরিকল্পনা করতে ২৪ জনের বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটির মাথায় রয়েছেম কল্যাণ রুদ্র। এছাড়া বাকি সদস্যরা হলে — কলকাতা, যাদবপুর–সহ একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সদস্য। সম্প্রতি নবান্নে বৈঠক করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানিয়েছেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় একাধিক সিদ্ধান্তের কথা।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকবিলায় দিঘা, সুন্দরবনের জন্য মাস্টারপ্ল্যানের আবেদন জানানো হয়েছে কেন্দ্রের কাছে। এখানেই তিনি বলেন, ‘১১ তারিখ বান আসছে। ২৬ তারিখের বানে যশ-এর চেয়ে বেশি ক্ষতি হতে পারে। তাই আমাদের কিছু পদক্ষেপ করতে হবে। নিচু এলাকায় থাকা টিউবওয়েল খারাপ হয়েছে। পিএইচইকে দেখতে হবে উঁচু জায়গায় টিউবওয়েল বসানো যায় কিনা। আর ইটভাঁটাকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি ১০০ দিনের কাজ বাড়াতে হবে। দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতিকে সামাল দিতে ১০০ দিনের কর্মীদের কাজ করতে হবে।’ এই বিষয়ে তিনি মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়কে নির্দেশ দেন। কয়েকদিন আগেই ত্রাণ–সহ অন্যান্য বিষয় নিয়ে বিজেপি নানা অভিযোগ তুলেছিল। এবার কাজ দিয়ে তার জবাব দেবেন মুখ্যমন্ত্রী বলে মনে করা হচ্ছে। তাই তিনি ভেটিবার ঘাস রোপণের পরামর্শ দিলেন। এদিন তিনি বলেন, ‘রাজ্যের সঙ্গে আলোচনা না করে ডিভিসি যেন জল না ছাড়ে। তিন জায়গা থেকে জল এলে সামাল দিতে পারব না। তাই প্রতিনিয়ত নজর রাখতে হবে। এখনও ভারনারেবল ব্লক ১৭৫টি। সেদিকে নজর রেখে প্রস্তুতি নিতে হবে। কুইক রেসপন্স টিম, ত্রাণ শিবির তৈরি করতে হবে। পশুদেরও উদ্ধার করতে হবে।
