বিবিপি নিউজ,রাজকুমার দাস,কলকাতা: পাঁচ তাঁরা হোটেলের নবতম সংযোজন হিসাবে কলকাতার পালকে নতুন নাম লিখলো আই টি সি রয়্যাল বেঙ্গল সুপার প্রিমিয়াম লাক্সারি হোটেল। মঙ্গলবার এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা র মহানগরিক ফিরহাদ হাকিম ববী, ছিলেন আই টি সি র চেয়ারম্যান ও এম ডি শ্রী সঞ্জীব পুরী, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শ্রী নকুল আনন্দ প্রমুখ।
জানা গিয়েছে ভারতে আই টি সি র এটি ১৪তম লাক্সারি হোটেল। ৪৫৬কেইস উক্ত হোটেল বাংলা ও বাঙালিয়ানার ঐতিহ্য কে সাথে নিয়ে এগিয়ে চলবে। বাংলার বুকে এই হোটেল করতে প্রায় ১৪,০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।
৬১,০০০ স্কোয়ার ফিট এরিয়া এই হোটেল।পাশেই আই টি সি সোনার এর সাথে নিয়ে মোট ৬৯৩টি শয্যা রুম।১৫টি ডাইনিং রুম,২২টি আলোচনা কক্ষ,সহ ব্যাংকুয়েট স্পেস ১,০০,০০০স্কোয়ার ফিট।ত্রিশ তলার হোটেল এ গ্রাহকদের জন্য রয়েছে স্বাচ্ছন্দের অত্যাধুনিক সব ধরণের সুযোগ সুবিধা।এই হোটেল বাংলা কে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কলকাতা তথা বাংলার বুকে এই ধরনের শিল্প ও সৃষ্টির মেলবন্ধনে বিলাস বহুল হোটেল আগামী দিনে নতুনদের শুধু নয় সমাজের কাছে ও কিছু ভালো করার বার্তা নিয়ে এগিয়ে যাবে এটা বলাই যায়।যোগাযোগ ব্যাবস্থা খুবই উন্নত।বাই পাস রাস্তা,মা উড়ালপুল,বর্তমানে তৈরির পথে মেট্রো রেল সবকিছু নিয়ে এই হোটেল শিল্পপতি থেকে সুখ পতি সকলের কাছে গ্রহণীয় হয়ে উঠতে বেশি সময় লাগবে না।
পাশাপাশি অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকাতা র মহানগরিক ফিরহাদ হাকিম ববী, ছিলেন আই টি সি র চেয়ারম্যান ও এম ডি শ্রী সঞ্জীব পুরী, এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর শ্রী নকুল আনন্দ প্রমুখ।
জানা গিয়েছে ভারতে আই টি সি র এটি ১৪তম লাক্সারি হোটেল। ৪৫৬কেইস উক্ত হোটেল বাংলা ও বাঙালিয়ানার ঐতিহ্য কে সাথে নিয়ে এগিয়ে চলবে। বাংলার বুকে এই হোটেল করতে প্রায় ১৪,০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে।
৬১,০০০ স্কোয়ার ফিট এরিয়া এই হোটেল।পাশেই আই টি সি সোনার এর সাথে নিয়ে মোট ৬৯৩টি শয্যা রুম।১৫টি ডাইনিং রুম,২২টি আলোচনা কক্ষ,সহ ব্যাংকুয়েট স্পেস ১,০০,০০০স্কোয়ার ফিট।ত্রিশ তলার হোটেল এ গ্রাহকদের জন্য রয়েছে স্বাচ্ছন্দের অত্যাধুনিক সব ধরণের সুযোগ সুবিধা।এই হোটেল বাংলা কে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে বলে মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
কলকাতা তথা বাংলার বুকে এই ধরনের শিল্প ও সৃষ্টির মেলবন্ধনে বিলাস বহুল হোটেল আগামী দিনে নতুনদের শুধু নয় সমাজের কাছে ও কিছু ভালো করার বার্তা নিয়ে এগিয়ে যাবে এটা বলাই যায়।যোগাযোগ ব্যাবস্থা খুবই উন্নত।বাই পাস রাস্তা,মা উড়ালপুল,বর্তমানে তৈরির পথে মেট্রো রেল সবকিছু নিয়ে এই হোটেল শিল্পপতি থেকে সুখ পতি সকলের কাছে গ্রহণীয় হয়ে উঠতে বেশি সময় লাগবে না।



