বিশেষ সংবাদদাতা,মেমারী,বর্ধমান: বাংলায় দুগ্ধ চাষীদের জন্য সরকারি সুবিধাকে টেক্কা দিতে আরও এক ধাপ এগিয়ে গেল আমূল। বিগত বেশ কয়েক বছর ধরেই চড়া দামে গ্রাম ও শহরের গবাদি খামার ও চাষীর থেকে দুধ কিনছে খেরা ডিস্ট্রিক্ট কোঅপেরেটিভ মিল্ক প্রডিউসার উনিয়ন লিঃ(আমূল)। ফলে চাষীরা লাভের মুখ দেখছে। এর ফলে বেঙ্গল ফেডারেশন (বেন মিল্ক ) ও মাদার ডেয়ারী সহ অন্যান্য প্রাইভেট ডেয়ারি যেমন রেড কাও, ঠোক্কর, স্টার মিল্ক, ও লোকাল ডেয়ারি গুলো হিমসিম খাচ্ছিল চাষীদের আমূলের মত সুবিধা দিতে। চাষীদের নিজস্ব ব্যাঙ্ক একাউন্টে সরাসরি পেমেন্ট দেওয়ার কাজ শুরু করতেই এখন আমূল আরও এক ধাপ পিছিয়ে দিল সকলকে।
এদিন বর্ধমান জেলার ইনচার্জ শ্রী সুমন্ত মিশ্র জানান "আমরা চাষীদের গবাদি পশুর গো খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে বালেন্স কাটেল ফিড ও মিনারেল , ঘাসের বীজ ও ডাক্তার , কৃত্রিম প্রজনন খুব সস্তায় চাষীদের দিয়ে থাকি সাথে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ঔষধসমূহ দেওয়া হচ্ছে পাশাপাশি আমরা চাষীদের নিজস্ব ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি পেমেন্ট দেওয়ার কাজ শুরু করেছি এর ফলে সকল চাষী খুশি হবে বলে আশা রাখি।"
বিজয়রাম এমপি ডাবলু এর বেশ কিছু চাষী জানান তারা অনন্যা ডেয়ারির তুলনায় আমূল থেকে অনেক বেশি সুবিধা পাচ্ছেন তবে মাঝে মাঝে আমূল দাম কমিয়ে দিলে খুব সমস্যায় ভোগেন সকলে । আরও জানান সরাসরি ব্যাঙ্কে পেমেন্ট হলে তাদের অনকেই টাকা তোলার জন্য অসুবিধার সম্মুখীন হবেন কারন তাদের অনেকেরই ব্যাঙ্ক একাউন্টে রয়েছে প্রায় দুই থেকে তিন কিমি দূরের ব্রাঞ্চে।
এই বিষয়ে আমূল সুপারভাইজর শ্রী অক্ষয় কুমার মন্ডল জানান , "গত সপ্তাহে আমূলের এম.ডি বাংলা তে এসেছিলেন তিনি বর্ধমান জেলার বন্ধন ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছেন যাতে চাষীদের নিজের এলকায় শাখা খুলে তাদের পেমেন্ট দেওয়া যায় ।"
বর্তমানে আমূল সারা বাংলায় প্রায় সাড়ে চার লক্ষ লিটার দুধ কিনছে। দিন দিন দাম ও বাড়িয়ে চলেছে ফলে চাষিরাও আমূল এর সুবিধার আওতায় আসতে ভিড় জমাচ্ছে আমূল পরিচালিত সমিতিতে । আমূল কেমিস্ট শ্রী অজয় বাবু থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে খুব শ্রীঘ্রই গলসি ( পূর্ব বর্ধমান) ও মেদিনীপুর জেলাতে নতুন বি এম সি খোলার কাজ চলছে , খোলা হলে আরও অনেক চাষী সুবিধার মুখ দেখবেন ।
এদিন বর্ধমান জেলার ইনচার্জ শ্রী সুমন্ত মিশ্র জানান "আমরা চাষীদের গবাদি পশুর গো খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণ করতে বালেন্স কাটেল ফিড ও মিনারেল , ঘাসের বীজ ও ডাক্তার , কৃত্রিম প্রজনন খুব সস্তায় চাষীদের দিয়ে থাকি সাথে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে ঔষধসমূহ দেওয়া হচ্ছে পাশাপাশি আমরা চাষীদের নিজস্ব ব্যাংক একাউন্টে সরাসরি পেমেন্ট দেওয়ার কাজ শুরু করেছি এর ফলে সকল চাষী খুশি হবে বলে আশা রাখি।"
বিজয়রাম এমপি ডাবলু এর বেশ কিছু চাষী জানান তারা অনন্যা ডেয়ারির তুলনায় আমূল থেকে অনেক বেশি সুবিধা পাচ্ছেন তবে মাঝে মাঝে আমূল দাম কমিয়ে দিলে খুব সমস্যায় ভোগেন সকলে । আরও জানান সরাসরি ব্যাঙ্কে পেমেন্ট হলে তাদের অনকেই টাকা তোলার জন্য অসুবিধার সম্মুখীন হবেন কারন তাদের অনেকেরই ব্যাঙ্ক একাউন্টে রয়েছে প্রায় দুই থেকে তিন কিমি দূরের ব্রাঞ্চে।
এই বিষয়ে আমূল সুপারভাইজর শ্রী অক্ষয় কুমার মন্ডল জানান , "গত সপ্তাহে আমূলের এম.ডি বাংলা তে এসেছিলেন তিনি বর্ধমান জেলার বন্ধন ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সাথে কথা বলেছেন যাতে চাষীদের নিজের এলকায় শাখা খুলে তাদের পেমেন্ট দেওয়া যায় ।"
বর্তমানে আমূল সারা বাংলায় প্রায় সাড়ে চার লক্ষ লিটার দুধ কিনছে। দিন দিন দাম ও বাড়িয়ে চলেছে ফলে চাষিরাও আমূল এর সুবিধার আওতায় আসতে ভিড় জমাচ্ছে আমূল পরিচালিত সমিতিতে । আমূল কেমিস্ট শ্রী অজয় বাবু থেকে পাওয়া তথ্য অনুসারে খুব শ্রীঘ্রই গলসি ( পূর্ব বর্ধমান) ও মেদিনীপুর জেলাতে নতুন বি এম সি খোলার কাজ চলছে , খোলা হলে আরও অনেক চাষী সুবিধার মুখ দেখবেন ।
